এক মাস আগে সই হওয়া অন্তর্বর্তীকালীন যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান হামলা জোরদার করেছে। এতে আবারও একটি সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরুর আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলাগুলোতে ইসরাইল সরাসরি অংশ নেয়নি।
ইসরাইলি ওই সামরিক কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে তাদের সামরিক অবস্থান পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে বর্তমানে ইসরাইলে মোতায়েন থাকা মার্কিন রিফুয়েলিং বিমানের বহরকে আরও শক্তিশালী করা হবে। অন্য একজন জ্যেষ্ঠ ইসরাইলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কয়েক ডজন মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান ইসরাইলে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরাইলের ওপর মার্কিন ও ইসরাইলি হামলার মাধ্যমে এই সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলে ডজনখানেক রিফুয়েলিং বিমান মোতায়েন করে রেখেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস গত শুক্রবার জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন ইসরাইলকে জানিয়েছে যে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে তারা দেশটিতে আরও কয়েক ডজন রিফুয়েলিং বিমান পাঠাচ্ছে।
ইসরাইলি সামরিক কর্মকর্তা আরও উল্লেখ করেন, বেসামরিক বিমান চলাচলে বিঘ্ন কমাতে এবং কৌশলগত ও লজিস্টিক কারণে যুক্তরাষ্ট্র কিছু বিমান ইসরাইলি বিমানবাহিনীর ঘাঁটিতে এবং কিছু বিমান বাণিজ্যিক বিমানবন্দরগুলোতে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ইসরাইলের প্রধান বিমানবন্দর বেন গুরিয়নের কার্যক্রম বর্তমানে অনেকাংশে সীমিত। মে মাসে এক কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, মার্কিন সামরিক তৎপরতার কারণে এই বিমানবন্দরের প্রায় ৭০ শতাংশ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। পরিবহনমন্ত্রী মিরি রেজেভের মুখপাত্র জানিয়েছেন, এরপর থেকে যুক্তরাষ্ট্র কিছু বিমান ইসরাইলি বিমানবাহিনীর ঘাঁটিতে সরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে। গত ২৫ জুন পর্যন্ত ইসরাইলে মোট ৯৮টি মার্কিন সামরিক বিমান অবস্থান করছিল।





