বিদায়ী স্টারমারের বার্তা: পররাষ্ট্রনীতিতে সময় কমানোর সুযোগ নেই

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার | ছবি: রয়টার্স
0

বিদায়ী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেছেন, তার উত্তরসূরিকেও আন্তর্জাতিক সংকট মোকাবিলা ও কূটনীতিতে ঠিক ততটাই সময় দিতে হবে, যতটা তিনি দিয়েছেন। ব্রিটেনের পরবর্তী নেতা কেবল অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বেশি মনোযোগ দিতে পারবেন এমন ধারণা তিনি নাকচ করে দিয়েছেন। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

বিদায়ী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেছেন, তার উত্তরসূরিকেও আন্তর্জাতিক সংকট মোকাবিলা ও কূটনীতিতে ঠিক ততটাই সময় দিতে হবে, যতটা তিনি দিয়েছেন। ব্রিটেনের পরবর্তী নেতা কেবল অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বেশি মনোযোগ দিতে পারবেন এমন ধারণা তিনি নাকচ করে দিয়েছেন। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

গত মাসে দুই বছর দায়িত্ব পালনের পর পদত্যাগের ঘোষণা দেয়া স্টারমার গতকাল (শুক্রবার, ৩ জুলাই) বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন। ক্রমেই অস্থিতিশীল হয়ে ওঠা বিশ্ব পরিস্থিতিতে ব্রিটেনের জন্য পররাষ্ট্র ও অভ্যন্তরীণ নীতিকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই বলেই তিনি মন্তব্য করেন।

স্টারমার বলেন, ‘প্রায়ই এই আলোচনা হয়—আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ের মধ্যে সঠিক ভারসাম্য কী হওয়া উচিত? আসলে এই দুটি একই বিষয়।’ কূটনীতিতে তার চেয়ে কম সময় ব্যয় করা সম্ভব কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘না, আমি মনে করি না এটি সম্ভব।’

পররাষ্ট্রনীতিতে অতিরিক্ত সময় ব্যয়ের কারণে বিরোধীদের সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন স্টারমার। তার সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচিত এমপি অ্যান্ডি বার্নহাম প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তিনি ক্ষমতায় গেলে জীবনযাত্রার মান, আবাসন, অবকাঠামো ও ব্রিটেনের বিভিন্ন অঞ্চলে ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণের মতো অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেবেন।

আজ (শনিবার, ৪ জুলাই) এক্সে (সাবেক টুইটার) ‘উইথ কিয়ার’ শিরোনামে পোস্ট করা এক ভিডিওবার্তায় স্টারমার তার শাসনামলের আন্তর্জাতিক মনোযোগকে সমর্থন করে বলেন, ব্রিটেন বৈশ্বিক অঙ্গনে তার হারানো মর্যাদা পুনরুদ্ধার করেছে। ইউক্রেনকে সহায়তা ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জোটে অংশগ্রহণকে তিনি তার সরকারের অন্যতম প্রধান অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেন।

স্টারমার বলেন, ‘দুই বছরের শাসনামলে আজ অন্যান্য দেশ আমাদের কাছ থেকে নেতৃত্বের দিকনির্দেশনা প্রত্যাশা করে—এটি আমার জন্য সত্যিই গর্বের বিষয়।’ এছাড়া অর্থনীতি স্থিতিশীল করা, শিশু দারিদ্র্য হ্রাস এবং জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা (এনএইচএস) উন্নত করাকেও তিনি তার প্রধান সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেন।

এএম