মাদ্রাসা শিক্ষকদের মে মাসের বেতন নিয়ে অনিশ্চয়তা: কবে মিলবে টাকা, যা জানালো অধিদপ্তর

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর | ছবি: এখন টিভি
0

দেশের বেসরকারি এমপিওভুক্ত মাদ্রাসায় কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের মে মাসের বেতন-ভাতা (May salary and allowances of MPO madrassah teachers) উত্তোলন নিয়ে এক সাময়িক অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। প্রতি মাসের নির্দিষ্ট সময়ে বেতন ছাড়ের সরকারি আদেশ (জিও) জারি করা হলেও, মে মাসের বেতন ছাড়ের (Madrasah Teachers May Salary Uncertainty: When to Get Money, What Directorate Says) ক্ষেত্রে বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর (Directorate of Madrasah Education - DME)।

অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কোডে পর্যাপ্ত সরকারি অর্থ বরাদ্দ বা বাজেট না থাকার কারণেই এই অনাকাঙ্ক্ষিত বিলম্ব হচ্ছে।

কেন আটকে আছে মে মাসের এমপিও বেতন? (Why May MPO Salary is Delayed)

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, সাধারণত মাসের শুরুতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন ছাড় করা হলেও এবারের চিত্র ভিন্ন। মে মাসের বেতন-ভাতার যাবতীয় হিসাব-নিকাশ এবং অফিশিয়াল কাজ অনেক আগেই শেষ করে রেখেছে অধিদপ্তর। কিন্তু মূল অর্থনৈতিক কোডে পর্যাপ্ত অর্থ সংস্থান না থাকায় বেতনের সরকারি আদেশ বা জিও জারি করা সম্ভব হচ্ছে না (Not possible to issue salary GO due to budget shortage)।

এই জটিলতা নিরসনে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এবং অর্থ মন্ত্রণালয় যৌথভাবে জরুরি ভিত্তিতে বাজেট 'ম্যানেজ' বা সমন্বয় করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

আরও পড়ুন:

বেতন ছাড়ের সম্ভাব্য তারিখ ও অধিদপ্তরের বক্তব্য (Expected Date of Salary Release and Directorate Statement)

মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীরা ঠিক কবে নাগাদ মে মাসের বেতন হাতে পেতে পারেন—এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (অর্থ) ড. কে এম শফিকুল ইসলাম।

তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, "নির্দিষ্ট কোডে প্রয়োজনীয় বাজেট না থাকায় মে মাসের বেতন দিতে দেরি হচ্ছে। তবে অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে আমাদের সব ধরনের দাপ্তরিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রাখা হয়েছে। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এবং মন্ত্রণালয় থেকে বাজেটের সংস্থান হওয়া মাত্রই মে মাসের বেতন ছাড় করা হবে (Salary will be released as soon as budget is managed by ministry)।"

সূত্রটি আরও আভাস দিয়েছে যে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে চলমান সমন্বয় প্রক্রিয়াটি দ্রুত এগোচ্ছে এবং আগামী সপ্তাহের মধ্যেই বাজেটের প্রয়োজনীয় সংস্থান হতে পারে (Budget constraints may be resolved by next week)। মন্ত্রণালয় অর্থ বরাদ্দ অনুমোদন দেওয়া মাত্রই অধিদপ্তর থেকে ব্যাংকে চেকের কপি বা জিও পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন:

একনজরে মাদ্রাসা শিক্ষকদের মে মাসের বেতন জটিলতা ও অধিদপ্তরের সর্বশেষ আপডেট

বিষয়ের বিবরণ (Topic Overview) বর্তমান পরিস্থিতি ও দাপ্তরিক আপডেট (Current Status & Updates) সর্বশেষ অবস্থা (Latest Status)
বেতন বিলম্বের মূল কারণ
(Reason for Delay)
মে মাসের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের নির্দিষ্ট অর্থনৈতিক কোডে পর্যাপ্ত সরকারি অর্থ বরাদ্দ বা বাজেট না থাকা। বাজেট সংকট
(Budget Shortage)
অধিদপ্তরের প্রস্তুতি
(Directorate Readiness)
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর মে মাসের বেতন-ভাতার হিসাব-নিকাশ ও যাবতীয় দাপ্তরিক কাজ সম্পূর্ণ প্রস্তুত করে রেখেছে। কাজ সম্পন্ন
(Work Completed)
মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপ
(Ministry Action)
কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এবং অর্থ মন্ত্রণালয় জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় বাজেট 'ম্যানেজ' বা সমন্বয়ের চেষ্টা করছে। সমন্বয় চলছে
(Fund Managing)
সম্ভাব্য সময়সীমা
(Expected Timeline)
সংশ্লিষ্ট সূত্র ও অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই প্রয়োজনীয় বাজেটের সংস্থান সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী সপ্তাহ
(By Next Week)
বেতন ছাড়ের শর্ত
(Release Condition)
মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ বরাদ্দ অনুমোদন পাওয়া মাত্রই অধিদপ্তর থেকে ব্যাংকে চেকের কপি বা বেতনের জিও (GO) জারি করা হবে। অর্থ প্রাপ্তি সাপেক্ষে
(Immediate Post Fund)
অফিশিয়াল বক্তব্য: মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (অর্থ) ড. কে এম শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, বাজেট না থাকায় সাময়িক বিলম্ব হচ্ছে। এটি মন্ত্রণালয়ের কাজ, মন্ত্রণালয় অর্থ ছাড় করলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে শিক্ষকদের ব্যাংকে টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হবে।


এসআর