জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার পুকুরিয়া এলাকার সোহেল রানা, আব্দুল আলিম, এনামুল হক স্বপনসহ কয়েকজন আম চাষি বলেন, 'চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৯৫ শতাংশ বাগানে আমের মুকুল আসলেও। গত ১০ দিন ধরে অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও কুয়াশার কারণে সে অনুপাতে বাঁধেনি আমের গুটি। তাই হতাশায় দিন কাটছে আমাদের। তবে আজ সকাল থেকে বৃষ্টির দেখা পেয়ে স্বস্তি ফিরেছে মনে।'
শিবগঞ্জ ম্যাংগো প্রোডিউসার কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল খান শামীম বলেন, 'চলতি বছরে মুকুল অনুযায়ী আমের গুটি কম। আর কয়েকদিনের সকালে ঘন কুয়াশা পড়েছে এতে বেশকিছু আমের গুটি নষ্ট হয়ে গেছে। তবে আজকে বৃষ্টিতে আমের গুটির ব্যাপক উপকার হলো। এখন দ্রুত আমগুলো বড় হবে। আর আম গাছের সব ধরনের ময়লা ধুয়ে গেল। এতে আমগুলোতে আলো-বাতাশ পাবে।'
চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মো. ইয়াছিন আলী জানান, অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে মুকুল থেকে আমের গুটিগুলো ঝরে যাচ্ছিল। আজকের গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি আমের গুড়ি দ্রুত বড় হবে। তাই আমের জন্য এই বৃষ্টি আমের জন্য আশীর্বাদ।
গত বছর চাঁপাইনবাবগঞ্জে আম চাষ হয়েছিল ৩৭ হাজার ৬০৪ হেক্টর জমিতে। চলতি বছরে আম চাষ হয়েছে ৩৭ হাজার ৫০৪ হেক্টর জমিতে। যা গত বছরের তুলনায় ১০০ হেক্টর কম।