গতকাল (বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর) দুপুরের তপ্ত রোদে বাংলাদেশ শ্যুটিং স্পোর্ট ফেডারেশনের মূল ফটকের সামনে আদালতের রায়ের কপি হাতে দাঁড়িয়ে এক যুবক। ভেতরেই বসে ছিলেন দারোয়ান ও আনসার সদস্যরা। তবে দরজা খুলতে অস্বীকৃতি জানান তারা। কিছুক্ষণের মাঝেই হাজির হন পূর্ববর্তী অ্যাডহক কমিটির সদস্যবৃন্দ। তাদেরও ভেতরে ঢুকতে না দিলে শুরু হয় বাকবিতণ্ডা।
গত ১৮ জুলাই এক চিঠিতে শ্যুটিং ফেডারেশনের তৎকালীন অ্যাডহক কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি ঘোষণা করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। এরপরই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন কমিটির সদস্যরা। অভিযোগ যাচাই-বাছাই শেষে পূর্ববর্তী কমিটিকেই বৈধ বলে ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে, ১৮ জুলাইয়ের ওই চিঠির কার্যকারিতা তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়।
রায়ের কপি নিয়েই ফেডারেশনে এসেছিলেন কর্তারা। তবে তাদের ঢুকতে না দিলে মূল ফটকে দাঁড়িয়েই বর্তমান কমিটির এমন আচরণের প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি রায়ের পক্ষে নানা যুক্তি তুলে ধরেন তারা।
পূর্ববর্তী কমিটির নির্বাহী সদস্য মো. দাইয়ান নাফিজ বলেন, ‘লোকবল বা কোন কিছু না। আমরা সিম্পলভাবে তাদের সঙ্গে দেখা করে আদালতের এই আদেশটি নিয়ে আলোচনা করতে চেয়েছিলাম। তাদের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলাম যে ব্যাপারগুলো হলো এরকম সেক্ষেত্রে আমাদেরকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়া হোক।’
এদিকে আদালতের রায় মেনেই অ্যাডহক কমিটির বিষয়ে সিদ্ধান্তে নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদ পারভেজ।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক জাহিদ পারভেজ বলেন, ‘আমি তো জানি যে হাইকোর্টের রিটের পরিপ্রেক্ষিতে তারা এসেছেন। এটা নিয়ে কাজ চলছে আরকি।’
এ বিষয়ে বর্তমান অ্যাডহক কমিটির কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া মেলেনি। ফেডারেশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা হারালেও আগামী ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে রিট করতে পারবেন তারা।





