আজ (বুধবার, ৫ আগস্ট) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয়বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপাচার্য বলেন, ‘১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের কৃতিত্ব নিয়ে ব্যক্তি ও রাজনৈতিক দলগুলোর বিভাজনের কারণে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে এবং বিভিন্ন সময় দেশ চরম হুমকির মুখে পড়েছে।’
অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনের সময় কোনো বিভেদ ছিল না, সবার লক্ষ্য ছিলো এক। সে ঐক্য বজায় রাখতে না পারলে দেশের সামনে আবারও ফ্যাসিবাদের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট শক্তি বিভিন্নভাবে দেশের রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করে পুনরায় সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে। তাই ২০২৪ সালের জুলাইয়ে যারা ঐক্যবদ্ধভাবে ফ্যাসিস্টকে পরাজিত করেছিলেন, তাদের সবাইকে আবারও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান।’
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজনৈতিক দল ও তাদের ছাত্র সংগঠনগুলোর অবদানের কথা উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, ‘আন্দোলনের শুরুতে নেতৃত্বে ছিলো ছাত্র-জনতা। কৌশলগত কারণে রাজনৈতিক দল ও ছাত্র সংগঠনগুলো সামনে না থাকলেও নেপথ্যে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস শহীদ মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল হক। এছাড়া বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হলের প্রভোস্ট, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।





