গতকাল (শনিবার, ২৩ মে) ফতুল্লার পঞ্চবটী মেথরখোলাস্থ পৌর টার্মিনালে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুমন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার গোকর্ণ গ্রামের নারায়ণের ছেলে।
অন্যদিকে আটককৃত হাতেম ফতুল্লা মডেল থানার মুসলিমনগর এলাকার আলিমুদ্দিনের ছেলে।
নিহত সুমন ও হাতেম ফতুল্লার পঞ্চবটী পৌর টার্মিনাল সংলগ্ন বোডবাড়ী এলাকার নুরি মিয়ার বাড়িতে পাশাপাশি কক্ষে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
স্থানীয়রা জানায়, নিহত সুমন ট্রাক চালক এবং হাতেম একই টার্মিনালে অপর একটি ট্রাকের হেলপার হিসেবে কাজ করতেন। অভিযোগ রয়েছে, হাতেম নিয়মিত ঘরে বসে মাদক সেবন করতেন।
বিষয়টি নিয়ে সুমন প্রতিবাদ করেন এবং বাড়ির মালিককেও অবগত করেন। এ নিয়ে হাতেম সুমনের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।
আরও পড়ুন:
গতকাল সকালে সুমন টার্মিনালে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। এসময় কাঠের টুকরো দিয়ে তার মাথা ও ঘাড়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে অভিযুক্ত। এতে সুমন মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ শহরের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।
সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে আইসিইউ শয্যা না থাকায় পরে রামপুরার ডেল্টা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
একই টার্মিনালের শ্রমিক মো. শুক্কুর মিয়া জানান, শনিবার সকালে ফোন পেয়ে তিনি হাসপাতালে যান। পরে আহত সুমনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে ডেল্টা ক্লিনিকে নেয়া হয়। তিনি বলেন, ‘মাদক সেবনের প্রতিবাদ করায় হাতেম ক্ষিপ্ত হয়ে কাঠের টুকরো দিয়ে সুমনের মাথায় আঘাত করে।’
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী বলেন, ‘আমরা ঘটনাটি জেনেছি। ট্রাক টার্মিনালের শ্রমিকরা এ ঘটনায় একজনকে হঠাৎ করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। আমরা তাকে ৫৪ ধারায় আদালতে প্রেরণ করছি। পরিবার মামলা দায়ের করলে সেই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হবে।’

 Cadre Specialist Physician Forum forms a human chain-320x167.webp)



