বৈশাখী শোভাযাত্রায় রঙ-বেরঙের ব্যানার, ফেস্টুন, মুখোশ, ঢাক-ঢোল, গ্রামীণ ঐতিহ্যের প্রতীক গরুর গাড়ি ও নানা সাজে সজ্জিত হয়ে অংশ নেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। এতে শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সের নারী-পুরুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
আরও পড়ুন:
পরে অম্বিকা হলে জেলা শিল্পকলা একাডেমি, শিশু একাডেমি ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে বাংলার ঐতিহ্যবাহী লোকসংগীত, নৃত্য ও কবিতা আবৃত্তি পরিবেশন করেন শিল্পীরা।
এ সময় জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলাতেও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে আনন্দ-উৎসবের পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে বাংলা নববর্ষ।





