এরই মধ্যে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে জমে থাকা ধুলাবালি অপসারণ, সড়ক বিভাজকে গজিয়ে ওঠা আগাছা পরিষ্কারসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগ।
প্রাথমিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো পরিচ্ছন্ন করার পাশাপাশি পরবর্তী সময়ে সড়ক বিভাজকগুলোর সৌন্দর্যবর্ধনে রং করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেকোনো সময় নারায়ণগঞ্জ সফরে আসতে পারেন— এমন সম্ভাবনা থেকেই নগরীর পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সম্ভাব্য সফরটি আকস্মিক হতে পারে, আবার আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির মাধ্যমেও হতে পারে। সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা বিএনপির এক শীর্ষ নেতা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন জেলা সফর করছেন। সেই ধারাবাহিকতায় রাজধানীর সবচেয়ে কাছের জেলা নারায়ণগঞ্জেও তিনি যেকোনো সময় আসতে পারেন। তার সফরের অপেক্ষায় রয়েছেন নারায়ণগঞ্জের নেতাকর্মীরা।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ করেই নারায়ণগঞ্জে চলে আসতে পারেন। সেক্ষেত্রে নগরীর অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ তার নজরে পড়লে তা আমাদের জন্য বিব্রতকর হবে। তাই সম্ভাব্য সফরের বিষয়টি মাথায় রেখে প্রাথমিকভাবে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।’
ওই নেতা জানান, প্রথম পর্যায়ে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে। সড়কে জমে থাকা ধুলাবালি অপসারণ এবং সড়ক বিভাজকে গজিয়ে ওঠা আগাছা পরিষ্কার করা হচ্ছে। এসব কাজ শেষ হলে সড়ক বিভাজকগুলোতে রং করার কার্যক্রমও শুরু হবে। তবে প্রধানমন্ত্রীর সফরের নির্দিষ্ট সময়সূচি কিংবা সম্ভাব্য কর্মসূচি সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই।
এদিকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নারায়ণগঞ্জে আসবেন— এমন কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য তাদের কাছে নেই। তবে প্রধানমন্ত্রী সময়-সুযোগ পেলে নারায়ণগঞ্জ সফরে আসতে পারেন। তার সফরের সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। যেকোনো সময় তিনি নারায়ণগঞ্জে আসতে পারেন।’





