ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানির পরপরই মন্দির মার্গ থানা থেকে বেরিয়ে আসেন দিপকে। এর আগে শুক্রবার তাকে প্রথমে আটক ও পরে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়। একই দিনে আটক অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোরাকেও শনিবার ভোরে ছেড়ে দেয় দিল্লি পুলিশ।
পুলিশ জানায়, কনট প্লেসে তেরঙ্গা ওড়ানোর কর্মসূচির আগেই দিপকে ও বোরাকে প্রতিরোধমূলক হেফাজতে নেয়া হয়। তেরঙ্গা মিছিল ঠেকাতে শুক্রবার প্রায় ১৫০ জন বিক্ষোভকারীকে আটক করে পুলিশ এবং কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (র্যাফ) মোতায়েন করা হয়।
দিল্লি পুলিশ জানায়, নেহা বোরাকে দিল্লি পুলিশ আইনের অধীনে আনুষ্ঠানিকতা শেষে ছেড়ে দেয়া হলেও দিপকের বিরুদ্ধে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১২৬ ও ১৭০ ধারায় শান্তি ভঙ্গের নতুন মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল। এর আগে গত ১০ অক্টোবর দিল্লি বিমানবন্দর থেকে আটকের পরও দিপকেকে এক বছরের জন্য শান্তি রক্ষার মুচলেকা দিতে হয়েছিল।
মুক্তি পাওয়ার পর দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্র সরকারের তীব্র সমালোচনা করে নেহা বোরা এই আটককে সম্পূর্ণ বেআইনি বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ‘আমাকে মান্ডি হাউস থেকে আটক করে পুরো রাত পাঁচটা পর্যন্ত থানায় রাখা হয়। এই অবৈধ আটক কেন করা হচ্ছে? এই প্রতিবাদ আন্দোলন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে দেশে কী ধরনের বেআইনি আটক চলছে। তারা আইন মেনে চলার দাবি করলেও বাস্তবে তা হচ্ছে না।’
আইসা সভাপতি অবিলম্বে দিপকসহ সব আটক ও গ্রেপ্তার বিক্ষোভকারীর মুক্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে বিতর্কিত ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনী (এসআইআর) বাতিল এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেস কুমারের পদত্যাগ ও গ্রেপ্তারের দাবি জানান তিনি।
অন্যদিকে, বাতিল হওয়া প্রতিবাদ কেন্দ্র যন্তর মন্তরে প্রবেশের অভিযোগে সিজেপি নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস এখনো বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, তাদের সব সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টের অনুমোদিত। আর ক্ষমতাসীন বিজেপি এই প্রতিবাদ আন্দোলনকে বিদেশি অর্থপুষ্ট এবং নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা বলে অভিহিত করেছে।





