এনবিআর জানায়, গত রাত ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা কাস্টমস হাউসের প্রিভেন্টিভ টিম ও বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালনরত সি-শিফটের কর্মকর্তারা নজরদারি শুরু করেন। কলকাতা থেকে আসা একটি ফ্লাইটে স্বর্ণ চোরাচালান হতে পারে, এমন তথ্যের ভিত্তিতে বিমানবন্দরের বিভিন্ন পয়েন্টে এ নজরদারি করা হয়।
নজরদারির একপর্যায়ে জনি রহমান নামের ওই যাত্রী ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করে ব্যাগেজ ঘোষণা ছাড়াই গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করার সময় তার ব্যাগ স্ক্যান করা হয়। এ সময় আচারের বয়ামের মধ্যে ধাতব পদার্থের উপস্থিতি পাওয়া যায়। পরে ব্যাগেজ পরীক্ষা করে বিভিন্ন ধরনের স্বর্ণালংকার, হীরা ও অন্যান্য মূল্যবান পাথর জব্দ করা হয়।
এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, জব্দ করা পণ্যের মধ্যে রয়েছে হীরা বসানো ১৮ ক্যারেটের ৪৭৮ গ্রাম ওজনের ৩৮৯টি স্বর্ণের আংটি, ৯৫০ ক্যারেটের ৪৫০ গ্রাম ওজনের ১৫১টি প্লাটিনামের আংটি, ১৮ ক্যারেটের ৬ গ্রাম ওজনের তিনটি হীরা বসানো সাদা স্বর্ণের অলংকার, ৮ গ্রাম ওজনের দুটি হীরা বসানো রুপার আংটি, ৪ গ্রাম ওজনের পাঁচটি স্বর্ণের লকেট, ৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন এবং ১০৩ গ্রাম ওজনের ৪৭২টি স্বর্ণের নাকফুল।
এছাড়া ৪৫ ক্যারেটের হীরা, ছোট-বড় মিলিয়ে পোখরাজ, রুবি ও অন্যান্য পাথরসহ মোট ৭২০টি পাথর এবং ২৩টি জুয়েলারি সার্টিফিকেট কার্ড জব্দ করা হয়েছে। ব্যাগেজ ঘোষণা ছাড়াই এসব পণ্য আনার কারণে জব্দ করা হয়। জব্দ করা পণ্যের সর্বমোট ওজন ১ হাজার ৫৪ গ্রাম বলে জানিয়েছে এনবিআর।
স্বর্ণালংকারের প্রত্যয়ন অনুযায়ী, জব্দ করা পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য দুই কোটি ৭০ লাখ টাকা। এ ঘটনায় জনি রহমানের বিরুদ্ধে ঢাকা কাস্টমস হাউসের প্রিভেন্টিভ টিমের পক্ষ থেকে থানায় ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এনবিআর।





