জীবননগর থানার ওসি সোলায়মান শেখের নেতৃত্বে সার বিক্রি কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বিষয়টি তদারকি করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন।
উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ সেপ্টেম্বর দত্তনগর সড়কের মেসার্স শান্তনা এন্টারপ্রাইজ থেকে ৪০০ বস্তা ডিএপি সার এবং ২৬ সেপ্টেম্বর হাসাদাহ বাজারের মেসার্স তৌফিক ট্রেডার্স থেকে ৫১২ বস্তা বিভিন্ন ধরনের সার জব্দ করা হয়।
আরও পড়ুন:
দুই দফায় জব্দ করা মোট ৯১২ বস্তা সার আদালতের নির্দেশে কৃষকদের মধ্যে বিক্রি করা হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, ‘আদালতের নির্দেশে কৃষক কার্ডের মাধ্যমে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে প্রতি কৃষকের কাছে এক বস্তা করে সার বিক্রি করা হচ্ছে।’
ওসি সোলায়মান শেখ বলেন, ‘জব্দকৃত সার সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে এবং বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হবে।’




