দীর্ঘ তিন বছরের অপেক্ষার পর অবশেষে মাঠে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো ঢাকার হকি অঙ্গন। প্রায় একমাস ধরে অনুশীলনে ঘামও ঝড়াচ্ছেন খেলোয়াড়রা। ১১টি ক্লাবের দাবি করা আড়াই লাখ টাকাও পৌঁছে গেছে ক্লাবগুলোতে।
কিন্তু উৎসবের সেই আমেজে ভাটা পড়েছে ক্লাব কর্তাদের অপেশাদার আচরণের কারণে। দুই দফায় পিছিয়েছে প্রথম বিভাগ হকি লিগের সময়সূচি। প্রথমে ১৯ দিন পিছিয়ে করা হয় ৭ সেপ্টেম্বর। তবে সেই সময়সূচিতেও মাঠে গড়ানোর সিদ্ধান্তে অটল থাকতে পারেনি ফেডারেশন।
৭ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়ার প্রস্ততিতে এগোলেও কয়েকটি ক্লাবের অনুরোধের কারণে দ্বিতীয়বার সময় পেছাতে বাধ্য হয়েছে বলে জানান লিগ কমিটির সেক্রেটারি।
‘তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে এগুলো হয়েছে। যেদিন অনুদান পেলো, এর পরের সপ্তাহেই তারা খেলতে চায়। ক্লাবগুলো তো প্রথমেই বলেছে যে, ২০ তারিখে আমরা খেলবো। পরে অধিকাংশ ক্লাব আবার পেছাতে বলেছে।’
আরও পড়ুন:
দুই দফা সময় পেছানোয় বিরক্তির ছাপ স্পষ্ট কোচ এবং খেলোয়াড়দের মুখে। তাদের ভাষ্য ক্লাব এবং কোচদের কারণে খেলা পেছানো অযৌক্তিক।
ফরাশগঞ্জ এসসির কোচ ইমরান হাসান বলেন, ‘কেউ যদি না থাকে, নিশ্চয়ই তার ডেপুটি কেউ থাকবে এবং এটা চালিয়ে যাওয়া উচিত। তবে আমি মনে করি, যারাই আসুক ভবিষ্যতে; এগুলো না হওয়াই উচিত। সবাই যদি মিলে মিশে কাজ করে, আমার মনে হয়, এই সমস্যাগুলো হবে না।’
ফরাশগঞ্জ এসসির খেলোয়াড় শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘নিয়মিত ক্যালেন্ডার অনুযায়ী যদি আমাদের খেলাটা চলতো, সেটা আমাদের সবার জন্য ভালো হতো। আমরা যারা সার্ভিসে আছি সেনা-নৌ-বিমানে, তারা রেগুলার অনুশীলন পাই, সেজন্য খেলাটা ধরে রাখতে পারি। তবে টুর্নামেন্ট না থাকলে আমরা তো নিজেদের সেভাবে তুলে ধরতে পারি না।’
পিডব্লিউডি এসসি ক্লাবের কোচ রায়হান বলেন, ‘খেলোয়াড়রা দেখা যায়, ট্রেইনিং শেষ হগওয়ার পর, খেলা পেছানোর পর তাদের সমস্যা দেখা দেয়। অনেকে অনুশীলনে অনীহা প্রকাশ করে, ছুটি চায়। এগুলোর কারণে ক্লাবগুলোতে অনেক গ্যাপ হয়ে যায়।’
এখন দেখার অপেক্ষায় দুই দফা পেছানোর পর খেলোয়াড়দের ফিটনেস এবং কোচদের পরিকল্পনা অনুযায়ী কত দ্রুত শুরু হয় প্রথম বিভাগ লিগটি।





 and Yashar chief Gadi Eisenkot wave to supporters-320x167.webp)