পাশাপাশি জড়িত সকলকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিও জানান তারা। বলেন, ভবিষ্যতে আর এই ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে সাহস না পায়।
এদিকে ভাংচুরের পর থেকেই হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগেরমতো পুরোদমে সেবা প্রদান না করা গেলেও টিকাদানসহ প্রাথমিক সেবা চালিয়ে যাচ্ছেন।
আর ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেবা প্রদানের সময় কমিয়ে আনা হয়েছে। আগে যেখানে ৯ টা থেকে ৫ পর্যন্ত কার্যক্রম পরিচালিত হতো সেটা এখন ৩ পর্যন্ত করা হয়েছে। সেবা প্রদানের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের সংস্কার কাজও অব্যাহত আছে।
আগামী রোববারের মধ্যেই সব সংস্কার কাজ শেষ হবে বলে জানানো হয়েছে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।





