গত জুলাইয়ের শেষ দিকে মরক্কো থেকে স্থল ও সমুদ্রপথে নজিরবিহীনভাবে প্রায় ৭০ হাজার অনিয়মিত অভিবাসী সেউতায় প্রবেশ করেন। বর্তমানে সেখানে ১০ হাজারের বেশি অভিবাসী অবস্থান করছেন। তাদের দ্রুত ফেরত পাঠানো ও আবেদনের সিদ্ধান্ত দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নিচ্ছে স্পেনের বামপন্থি সরকার।
স্প্যানিশ সংবাদপত্র এল পাইসে ফাঁস হওয়া এবং রয়টার্সের দেখা খসড়া অনুযায়ী, যেসব অভিবাসীর নিজ দেশকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ‘নিরাপদ’ হিসেবে গণ্য করে—যেমন মরক্কো—তাদের আশ্রয়ের আবেদন নামঞ্জুর হলে দেশের বাইরে থেকেই আপিল করতে হবে। এ ছাড়া জাতিসংঘ শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত কমিশনের মাধ্যমে আবেদনের পর্যালোচনার সাধারণ নিয়মও এড়ানো হতে পারে।
প্রস্তাবিত এই নিয়ম গত ৩০ ও ৩১ জুলাই থেকে আসা অভিবাসীদের ক্ষেত্রে পেছনের তারিখ থেকে কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। কোনো আবেদনকারী পাঁচ দিন যোগাযোগহীন থাকলে তার আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে এবং কারো বিরুদ্ধে সহিংস বা হুমকিমূলক আচরণের অভিযোগ উঠলে তার অবস্থান করার অধিকার সঙ্গে সঙ্গে রদ করা হবে।
স্পেনের টেরিটোরিয়াল পলিসি মন্ত্রী আনহেল ভিক্টর তোরেস সংবাদ সম্মেলনে জানান, সরকার আইনি পরিবর্তনের সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করে দেখছে, তবে আন্তর্জাতিক আইনের বিধিনিষেধের কারণে এটি সহজ নয়। অন্যদিকে স্পেনের ১৩টি এনজিও ও মানবাধিকার সংস্থা এই প্রস্তাবকে মানবাধিকার সনদের প্রতি গুরুতর হুমকি বলে অভিহিত করেছে।





