এর আগে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুহিলপুরে কূপটির খনন কাজ শুরু করে একটি চীনা প্রতিষ্ঠান। ৩ হাজার ৫২৬ মিটার গভীরতা পর্যন্ত খনন শেষে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। এরপর গত ১৯ জুন থেকে পরীক্ষামূলকভাবে কূপটি থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। পরীক্ষামূলক এই সময়ে প্রায় দুইশ কোটি টাকা মূল্যের গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে। এখন থেকে এই কূপটি থেকে প্রতিদিন নিয়মিতভাবে ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হবে।
বর্তমানে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৩টি কূপ উৎপাদনে রয়েছে, যেখান থেকে প্রতিদিন গড়ে ৩৩১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। ২৮ নম্বর কূপটি আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হওয়ার ফলে দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে এটি আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।





