আজ (বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুফতি রেজাউল করীম আবরার ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুফতি শামসুদ্দোহা আশরাফীর নেতৃত্বে একদল ওলামা-মাশায়েখ আইনমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎকালে হেবা বিশুদ্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে শরিয়াহ নির্ধারিত শর্ত এবং প্রস্তাবিত বা সংশোধিত সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে শরিয়াহর সঙ্গে কোনো সাংঘর্ষিকতা নেই বলে যে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়েছে, তার বিভিন্ন অসঙ্গতি তুলে ধরেন আলেমরা।
আরও পড়ুন:
তারা বলেন, মুসলিমদের পারিবারিক সম্পত্তি হস্তান্তর ও হেবা-সংক্রান্ত বিধান প্রণয়নের ক্ষেত্রে শরিয়াহর সুস্পষ্ট বিধান, ফিকহি মূলনীতি এবং প্রচলিত বাস্তবতা যথাযথভাবে বিবেচনায় নেয়া প্রয়োজন। কোনো বিধান শরিয়াহর মৌলিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলে সংশ্লিষ্ট আলেম-ওলামার সঙ্গে পর্যাপ্ত পরামর্শ করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা উচিত।
বৈঠকে আইনমন্ত্রী আলেমদের বক্তব্য ধৈর্যসহকারে শোনেন এবং তাদের উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে অবগত হন বলে জানায় পরিষদ।
জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের নেতারা আশা প্রকাশ করেন, সরকার বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামা ও বিশেষজ্ঞদের মতামত পর্যালোচনা করবে। একই সঙ্গে মুসলিম নাগরিকদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও শরিয়াহর বিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ আইন প্রণয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও আশা করেন তারা।




