গত ২৬ আগস্ট হিমালয় সংলগ্ন পাহাড়ি ঢল থেকে নেমে আসা কাদা ও পাথরের স্রোতে নেপালের জিরোং সীমান্ত চৌকি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে নেপাল অংশে ৫ হাজার ১৩০ জন এবং চীনের তিব্বত অংশে ৫১৯ জন মানুষ নিখোঁজ হন। নিখোঁজদের মধ্যে বহু বিদেশি নাগরিক ও তীর্থযাত্রী রয়েছেন। বন্যায় এখন পর্যন্ত নেপাল অংশে অন্তত ১,৩৮৬ জন এবং চীন অংশে ৪৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
কৈলাশ মানস সরোবরে তীর্থযাত্রায় গিয়ে নিখোঁজ হন ভারতের হায়দরাবাদের বাসিন্দা ৩৩ বছর বয়সী আরুষি গুপ্ত। তার বাবা অজয় গুপ্ত বলেন, ‘আমরা নিশ্চিত যে সে সীমান্তের তিব্বত অংশে কোনো উঁচু স্থানে নিরাপদে রয়েছে।’ একইভাবে ৪৭ জন ইউক্রেনীয় তীর্থযাত্রীর একটি দলের সঙ্গে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন এলেনা হরলোভা। নরওয়েতে অবস্থানরত তার মেয়ে ভ্লাদিস্লাভা হরলোভা বলেন, ‘তাদের মৃত্যু আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। তাই সামান্য হলেও আশা আঁকড়ে ধরে আছি।’
পাহাড়ি উপত্যকায় প্রায় ২২ লাখ টন কাদা ও পাথর জমা হওয়ায় উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছে নেপাল ও চীন কর্তৃপক্ষ। তবে অনুসন্ধান চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি স্বজনদের হালনাগাদ তথ্য জানাতে উভয় দেশ আন্তর্জাতিক হটলাইন চালু রেখেছে।





