আজ (বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড জানতে পারে যে, দৌলতখান থানার চরনিয়ামতপুর সংলগ্ন এলাকায় একদল ডাকাত মহিষ ডাকাতির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর ৪টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত কোস্ট গার্ড বেইস ভোলা একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযান চলাকালে ডাকাতদের আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে দুইটি দেশিয় আগ্নেয়াস্ত্র, দুই রাউন্ড তাজা কার্তুজ, দুই রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, চারটি দেশীয় অস্ত্র এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত তিনটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকা জব্দ করা হয়। এ সময় চারজনকে আটক করা হয়।
আটকরা হলেন—দৌলতখান উপজেলার চরপাতা এলাকার কয়ছর মাঝি (৬০), তার ছেলে মো. আপন (২৬), ভবানীপুর এলাকার মো. মফিজ খন্দকার (৬০) এবং ভোলা সদর উপজেলার ধরিয়াম সংকর এলাকার কোবির পঞ্চায়েত (৬২)।
কোস্ট গার্ডের দাবি, আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে ভোলার বিভিন্ন চরাঞ্চলে ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, ‘দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।’
