র্যাব-১০ অধিনায়ক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান সংবাদ সম্মেলন করে জানায়, আলতাফ হোসেনকে হত্যার পরই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে মাঠে নামে পুলিশ। প্রযুক্তির মাধ্যমে অপরাধীদের ৪ জন মুন্সিগঞ্জে রয়েছে এমন তথ্য পায় র্যাব।
পরে মুন্সিগঞ্জ লঞ্চঘাট থেকে ২ জন ও ১ কিলোমিটার থেকে আরও ২ জনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। পরে র্যাব ৪ ঢাকার বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে আরও জনকে গ্রেপ্তার করে তারা।
তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে র্যাব জানায়, জীবন বাঁচাতে একটি কারখানায় আশ্রয় নিয়েছিলেন আলতাফ হোসেন। দরজা ভেঙে ২০ থেকে ২৫ জন ভেতরে ঢুকে এসবি কর্মকর্তাকে হাতুরি দিয়ে পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে কিশোর গ্যাং এর সদস্যরা।





