আলোচনার সঙ্গে যুক্ত মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে প্রতিবেদনে জানানো হয়, ট্রাম্পের মেয়াদের বাকি দুই বছরের জন্য তৈরি হতে যাওয়া এ কৌশলটি মূলত তিনটি স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। প্রথমত, ইরানকে মোকাবিলায় মধ্যপ্রাচ্যে মিত্রদেশগুলোকে কাছে টানা, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র নিরাপত্তার নিশ্চয়তাদাতা হিসেবে কাজ করতে পারে। দ্বিতীয়ত, গাজা, সিরিয়া ও লেবাননের সঙ্গে ইসরাইলের চলমান অস্থিরতা নিরসন করা। তৃতীয়ত এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, আব্রাহাম চুক্তির পরিধি বাড়িয়ে সৌদি আরব ও ইসরাইলের মধ্যে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করা।
তবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা রয়েছে। ছয় মাস ধরে চলা ইরান যুদ্ধ এখনো অমীমাংসিত এবং হরমুজ প্রণালিসহ গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুটে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে অনড় অবস্থানে রয়েছে তেহরান। অন্যদিকে, সৌদি আরব সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের অগ্রগতিকে প্রধান শর্ত হিসেবে দেখলেও ইসরাইল শুরু থেকেই এর ঘোর বিরোধী।
আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরাইলে সাধারণ নির্বাচন এবং নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর ট্রাম্পের পরিকল্পনার অগ্রগতি অনেকটাই নির্ভর করছে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পুরো কৌশলটি চূড়ান্ত হতে আরও কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে। ওয়াশিংটন এখন সংঘাতগুলোকে আলাদাভাবে না দেখে পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে একক কাঠামোর আওতায় এনে নতুন আঞ্চলিক শৃঙ্খলা গড়ে তুলতে চাইছে।





