পুলিশ বলছে, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। এ ঘটনায় বাসের চালক, সুপারভাইজার ও হেলপারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে জামালপুরের বাড়ি থেকে বাসে গাজীপুরের জিরানীর উদ্দেশে রওনা হন ইসমাইল হোসেন। সকালে জিরানী বাজার বাসস্ট্যান্ডে তার ছেলে বাবার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু হঠাৎ তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল পৌনে ৯টার দিকে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বনানী অংশের মুখ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে একটি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহটির মুখে স্কচটেপ লাগানো ছিল। পরনে ছিল লুঙ্গি ও সিএনজি অটোরিকশাচালকদের ইউনিফর্মের মতো নীল রঙের শার্ট।
পরিচয় শনাক্তের পর শুরু হয় পুলিশের ছায়া তদন্ত। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে একটি বাসের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়। পরে ‘রাজ পরিবহন’ নামের বাসটি জব্দ করা হয় এবং গ্রেপ্তার করা হয় তিনজনকে।
পুলিশের ভাষ্য, বাসের ভাড়া পরিশোধের সময় হেলপার মনির হোসেন ইসমাইলের কাছে থাকা বিপুল টাকা দেখতে পান। পরে বিষয়টি বাসচালক সোহেল রানা ও সুপারভাইজার সাজুকে জানালে তারা টাকা হাতিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা করেন। একপর্যায়ে ইসমাইলকে হত্যা করে তার কাছে থাকা প্রায় পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে মরদেহ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাছে ফেলে দেয়া হয় বলে পুলিশের দাবি।
ধানমণ্ডিতে ৩৮ লাখ টাকা ছিনতাই
অন্যদিকে, রাজধানীর ধানমণ্ডি ১২ নম্বর এলাকায় ৩৮ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় অবসরপ্রাপ্ত তিন সেনাসদস্যসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
পুলিশ জানায়, কম দামে সোনা বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে ৩০ আগস্ট ওই টাকা ছিনতাই করা হয়। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার আটজনের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত তিন সেনাসদস্য রয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজনের বিরুদ্ধে আগেও ডাকাতির মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
দুটি ঘটনায়ই জড়িতদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং ঘটনাগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যদের শনাক্তে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।





