লাল-সাদা-নীল-হলুদে সেজেছে পুরো মালয়েশিয়া। রাজধানী কুয়ালালামপুর থেকে প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রজায়া- সর্বত্র উড়ছে জাতীয় পতাকা। দিনের প্রথম প্রহরে কুয়ালালামপুরের বিভিন্ন স্থানে মনোমুগ্ধকর ড্রোন শো।
১৯৫৭ সালের ৩১ আগস্ট মালয়েশিয়াকে স্বাধীন ঘোষণা করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী তুনকু আবদুল রহমান। স্বাধীনতার ৬৯ বছর পূর্তিতে তাই আবারও মুখর পুরো দেশ। পুত্রজায়ায় আয়োজিত প্যারেড, সামরিক কুচকাওয়াজ ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশগ্রহণ করেন বিভিন্ন সংস্থার ১০ হাজারের বেশি মানুষ। সমাগম ঘটে প্রায় এক লাখ দর্শনার্থীর। আয়োজনে তুলে ধরা হয় মালয়েশিয়ার অগ্রযাত্রা ও বৈচিত্র্য। ছিল জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি নিশ্চিতের বার্তা।
আরও পড়ুন:
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, ‘স্বাধীনতার প্রকৃত অর্থ ও চেতনা আমাদের সমুন্নত রাখতে হবে। দেশকে দুর্নীতি ও ঘুষের কবল থেকে মুক্ত করা ও বাজেয়াপ্তকৃত সম্পদ জনগণের কল্যাণে ফিরিয়ে দেয়া হবে।’
মালয়, চীনা, ভারতীয়সহ নানা জাতিগোষ্ঠীর মানুষের পাশাপাশি কয়েক দশক ধরে কুয়ালালামপুরের অর্থনীতিতে অবদান রেখে চলেছেন বিভিন্ন দেশের অভিবাসী কর্মীরা। মালয়েশিয়ার জাতীয় দিবসে তাদের কাছেও প্রত্যাশা- শান্তি, নিরাপদ ও সহাবস্থানের।





