আজ (রোববার, ২৩ আগস্ট) রাত ৯টায় শহর চৌরাস্তা,বাসস্ট্যান্ড, রোড মার্কেটসহ বিভিন্ন উপজেলায় দোকানপাট ও বিপণিবিতানগুলো খোলা থাকতে দেখা যায়। নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরও ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন এলাকায় দোকানপাট খোলা ছিল এবং কোথাও কোথাও সাইনবোর্ড ও বিজ্ঞাপনের বাতিও জ্বলতে দেখা গেছে।
সরকারের নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সব মার্কেট, বিপণিবিতান ও দোকানপাট খোলা রাখা যাবে। পাশাপাশি সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সব ধরনের আলোকিত বিলবোর্ড বন্ধ রাখতে হবে এবং যেকোনো ধরনের সৌন্দর্যবর্ধক আলোকসজ্জা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। তবে তার উল্টো চিত্র ঠাকুরগাঁওয়ে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, ‘গেল কয়েকদিন থেকে তীব্র গরমে কারণে সকাল থেকে কোনো কাস্টমার থাকছে না। যে কারণে সন্ধ্যার পরে ক্রেতারা আসছেন দোকানগুলোতে।’
নির্দেশনা অনুযায়ী এতো তাড়াতাড়ি দোকান বন্ধ করে দিলে ব্যবসায় বড় ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কায় তারা। তাই দোকান খোলা রাখার সময় কিছুটা বাড়ানোর দাবি ব্যবসায়ীদের।
এদিকে ঠাকুরগাঁওয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক ফোনকলে বলেন, ‘সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এছাড়া নর্দান ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানির (নেসকো) পক্ষ থেকে মার্কিং করা হচ্ছে। এরপরেও যদি কেউ নির্দেশনা না মানে তাহলে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’





