বড় গ্রাহকের কাছে সরাসরি বিদ্যুৎ বিক্রির সুযোগ পাচ্ছে বেসরকারি কেন্দ্র

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন | ছবি: সংগৃহীত
0

বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো এখন থেকে জাতীয় গ্রিড ব্যবহার করে সরাসরি বড় গ্রাহকের কাছে বিদ্যুৎ বিক্রির সুযোগ পেতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) গঠিত কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি সংশ্লিষ্ট একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

প্রতিবেদনে প্রস্তাব করা হয়েছে, পিডিবি মার্চেন্ট পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে উৎপাদিত নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা ৬ টাকা ৪৮ পয়সা দরে কিনতে পারবে।

বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো এখন থেকে জাতীয় গ্রিড ব্যবহার করে সরাসরি বড় গ্রাহকের কাছে বিদ্যুৎ বিক্রির সুযোগ পেতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) গঠিত কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি সংশ্লিষ্ট একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

বে এ প্রস্তাবিত দামকে অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেছেন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শামসুল আলম। তার মতে, প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের ৬ টাকা ৪৮ পয়সা দাম কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ নিয়ে তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

এদিকে, বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো জাতীয় গ্রিড ব্যবহার করে সরাসরি গ্রাহকের কাছে বিদ্যুৎ সরবরাহ করলে কী পরিমাণ চার্জ দিতে হবে, সে বিষয়ে বিতরণ সংস্থাগুলোও একটি প্রস্তাব জমা দিয়েছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, উচ্চ ভোল্টেজের ১৩২ কেভি লাইনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে প্রতি ইউনিটে ১ টাকা ৬৭ পয়সা থেকে ২ টাকা ৪২ পয়সা পর্যন্ত সঞ্চালন চার্জ দিতে হবে।

অন্যদিকে, সাধারণ গ্রাহক পর্যায়ে ব্যবহৃত ০ দশমিক ৪০ কেভি লাইনের ক্ষেত্রে এ খরচ সর্বোচ্চ প্রতি ইউনিটে ৩ টাকা ৪২ পয়সা পর্যন্ত হতে পারে।

প্রস্তাবিত এই চার্জের মধ্যে সঞ্চালন মাশুলের পাশাপাশি বিতরণ মাশুল এবং ক্রস-সাবসিডি চার্জও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বিইআরসির কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি বর্তমানে বিদ্যুতের প্রস্তাবিত ক্রয়মূল্য ও জাতীয় গ্রিড ব্যবহারের বিভিন্ন চার্জসহ সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করছে।

ইএ