তৎকালীন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতকে ফোন করে এসব নির্দেশ দেন তিনি। আরাফাতও এতে সম্মতি জানিয়ে সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ওবায়দুল কাদের, মোহাম্মদ এ আরাফাত, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ সাতজনের বিরুদ্ধে জুলাই হত্যাকাণ্ডের মামলার যুক্তি-তর্কে কাদের ও আরাফাতের এই কল-রেকর্ড প্রমাণ হিসেবে দাখিল করেছে প্রসিকিউশন।
বলপ্রয়োগ, সংঘাত ও প্রাণহানির খবর যাতে গণমাধ্যমে প্রকাশ না পায়, সে লক্ষ্যেই সেন্সরশিপের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলে দাবি প্রসিকিউশনের। তাদের অভিযোগ, আন্দোলনের সময় সাধারণ মানুষের কাছে তথ্যের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে গণমাধ্যমকে চাপ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।



 founder Abhijeet Dipke-1-320x167.webp)

