স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘পরিবেশ দূষণ বর্তমানে দেশের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। অপরিকল্পিত নগরায়ন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা, নদী ও জলাশয়ে বর্জ্য ফেলা এবং একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক-পলিথিনের ব্যবহার পরিবেশের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। এসব সমস্যা সমাধানে বিচ্ছিন্ন উদ্যোগ নয়, প্রয়োজন সমন্বিত ও পরিকল্পিত পদক্ষেপ।’
তিনি বলেন, ‘পরিবেশ রক্ষায় শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব আচরণ গড়ে তোলাও গুরুত্বপূর্ণ।’ ক্ষতিকর পলিথিনের ব্যবহার কমিয়ে বিকল্প পরিবেশবান্ধব উপকরণের ব্যবহার বাড়াতে কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
সভায় গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি পরিবেশ সংরক্ষণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে বলেন, ‘পরিবেশ রক্ষায় সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দিতে হবে।’
সভায় পানি দূষণ, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নদ-নদী সংরক্ষণ এবং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর পলিথিন নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
এসময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহিদুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।





