ইংল্যান্ড-মেক্সিকো ম্যাচে নাটকীয়তার পর নাটকীয়তা। বৈরী আবহাওয়ার কারণে এক ঘণ্টা দেরিতে শুরু হওয়া ম্যাচে দর্শকরা পেয়েছেন রুদ্ধশ্বাস লড়াই।
প্রথমার্ধে শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। ৩৬ ও ৩৮ মিনিটে মাত্র দুই মিনিটের ব্যবধানে জোড়া গোল করে ইংল্যান্ডকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন জুড বেলিংহাম। তবে চার মিনিট পরই হুলিয়ান কিনিওনেসের গোলে ব্যবধান কমিয়ে ম্যাচে ফেরে মেক্সিকো। ২-১ ব্যবধানে শেষ হয় প্রথমার্ধ।
আরও পড়ুন:
বিরতির পর ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। বক্সের ভেতর অ্যান্থনি গর্ডনকে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় ইংল্যান্ড। স্পট কিক থেকে গোল করে দলের তৃতীয় গোলটি করেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন। তবে ম্যাচের উত্তেজনা তখনও শেষ হয়নি। ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির সহায়তায় মেক্সিকোকেও একটি পেনাল্টি দেন রেফারি। স্পট কিক থেকে রাউল হিমেনেস গোল করে ব্যবধান কমিয়ে আনেন ৩-২-এ। বাজেভাবে ফাউল করে লাল কার্ড দেখেন ইংল্যান্ডের জ্যারেল কোয়ানসা। ১০ জনের দলে পরিণত হয় থ্রি লায়ন্স।
শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত ম্যাচে ছিল টানটান উত্তেজনা। শেষ মুহূর্তে মেক্সিকো সমতায় ফেরার মরিয়া চেষ্টা চালালেও ইংল্যান্ডের দৃঢ় রক্ষণ সেই স্বপ্ন ভেঙে দেয়।
৩-২ গোলের এই জয়ে শেষ আট নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। এখন তাদের সামনে আরও কঠিন চ্যালেঞ্জ কোয়ার্টার ফাইনালে প্রতিপক্ষ নরওয়ে। অন্যদিকে, সাহসী লড়াই উপহার দিয়েও বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হলো মেক্সিকোর।
ইংল্যান্ড কি এবার শিরোপার পথে আরও এক ধাপ এগোতে পারবে? নাকি কোয়ার্টার ফাইনালে অপেক্ষা করছে নতুন কোনো চমক? সেই উত্তর মিলবে আগামী ম্যাচেই।





