ফিফার ডিসিপ্লিনারি কোডের একটি বিশেষ ধারা অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড়ের শাস্তির প্রয়োগ পুরোপুরি বা আংশিকভাবে স্থগিত রাখার ক্ষমতা জুডিশিয়াল বডির রয়েছে।
ফিফা জানিয়েছে, বালোগানকে এক বছরের একটি প্রবিশনারি মেয়াদে রাখা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তিনি যদি পুনরায় একই ধরনের গুরুতর কোনো নিয়ম লঙ্ঘন না করেন, তবে এ শাস্তি কার্যকর হবে না। ফিফার এই সিদ্ধান্তে বড় স্বস্তি ফিরেছে মার্কিন শিবিরে।
বসনিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে ভিএআর পর্যালোচনার পর বালোগানকে সরাসরি লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করে দেয়া হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে ফুটবলাঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। খোদ বালোগান জানিয়েছেন, সেই ফাউলটি ছিলো সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত।
আরও পড়ুন:
ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘এটি কোনোভাবেই ইচ্ছাকৃত ছিলো না। আমি রেফারিকে সম্মান করি, তবে আমি মনে করি হলুদ কার্ডই যথেষ্ট ছিলো। সব কিছু মেনে নিয়ে আমি সামনের দিকে তাকাতে চাই। আমার মনোযোগ এখন বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচটিতে।’
ইউএস সকার এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ফিফার এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছে, তারা ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটির প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং ফোলারিন বালোগুনকে পুনরায় দলে ফিরে পাওয়ায় তারা আনন্দিত। তাদের পুরো মনোযোগ এখন সোমবার সিয়াটলে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বেলজিয়ামের বিপক্ষে রাউন্ড অব ১৬-এর ম্যাচের দিকে।
এদিকে, বালোগানের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার এই সিদ্ধান্তে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যা সঠিক তা করার জন্য এবং একটি বড় অবিচারের প্রতিকার করার জন্য ফিফাকে ধন্যবাদ!’




