প্রায় আড়াই হাজার বছরের বেশি সময়ের সভ্যতা পুন্ড্রনগরী। যা বগুড়ার মহাস্থানে অবস্থিত। মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন রাজাদের রাজধানী ছিল মহাস্থান। সেই সভ্যতার নির্দেশন দেখতে এখনো ভিড় করেন এখানে। ইতিহাসকে রমন্থন করছেন নানা বয়সী নারী-পুরুষ। মহাস্থানে আসা দর্শনার্থীরা জানান, পুরনো এ নিদর্শন দেখে তাদের ভালো লেগেছে।
প্রাচীন সভ্যতার পাশাপাশি বগুড়ায় আধুনিকতার ছাপ রাখেছে মমইন বিনোদন কেন্দ্র। দেশের সর্ববৃহৎ ক্যাবল কার সংযোজন করেছে বিনোদনকেন্দ্রটি। এছাড়া ওয়াটার পার্কে ফেরীহুইল, ওয়েভপুলসহ রয়েছে নানা রাইড। সেগুলোতে শতশত বিনোদনপ্রেমীরা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আনন্দ উপভোগ করছেন। এখানে এসে আনন্দ পাওয়ার কথা জানান মমইন এ আসা বিনোদনপ্রেমীরা।
আরও পড়ুন:
বগুড়ায় বিনোদনের নতুন মাত্রা নিয়ে কর্তৃপক্ষ জানান, পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রগুলি মনের খোরাকের পাশাপাশি জানা ও দেখার অনুভূতিকে জাগ্রত করে মানুষ পায় মানসিক তৃপ্তি। আর সরকারি পর্যটন স্পটগুলিতে সুবিধা বাড়ানোর দাবি কর্মকর্তার।
মমইন পার্ক অ্যান্ড রিসোর্টের ম্যানেজার (অপারেশন) রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের এখানে বিভিন্ন ওয়াটার রাইড আছে যা সন্ধ্যা অব্দি চলে। তাছাড়া এখানে আছে বিভিন্ন অ্যাক্টিভিটিজ।’
মহাস্থান জাদুঘরের কাষ্টডিয়ান রাজিয়া সুলতানা বলেন, ‘এখানে আরও উন্নত মানের কিছু করা যায়। যেমন বসার জায়গা, খাবারের জায়গাসহ বিভিন্ন জিনিস করতে পারলে ভালো হয়।’
ঈদ উপলক্ষে বগুড়ার মহাস্থান ও বেসরকারি বিনোদন পার্কে প্রায় পাঁচ লাখ দর্শনার্থীর উপস্থিতি আশা করছেন কর্তৃপক্ষ।





-320x167.webp)