
সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের রাত্রিযাপন নিয়ে সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত
কক্সবাজারের প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের ভ্রমণ ও রাত্রিযাপন নিয়ে তৈরি হওয়া দীর্ঘদিনের বিভ্রান্তির অবসান ঘটেছে (Saint Martin island tour updates)। পর্যটকদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের খবর জানিয়ে সরকারের তরফ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, নির্দিষ্ট বিধিনিষেধ মেনে আগামী ১ নভেম্বর থেকে আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত সেন্টমার্টিন দ্বীপে যাতায়াতের পাশাপাশি রাতেও অবস্থান করতে পারবেন ভ্রমণপিপাসুরা (Saint Martin night stay rule update)।

সেন্টমার্টিন ভ্রমণে পর্যটকদের দিতে হবে পরিবেশ ফি, জনপ্রতি কত?
দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন ভ্রমণপিপাসুদের জন্য আগামী ১ নভেম্বর থেকে উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে (Saint Martin tourist spot open date 2026)। আগামী বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকরা দ্বীপে যাতায়াত ও ভ্রমণের এই সুবিধা পাবেন। তবে প্রবাল দ্বীপের স্পর্শকাতর পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় এবার বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সেন্টমার্টিন ভ্রমণকারী প্রত্যেক পর্যটককে জনপ্রতি ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি দিতে হবে (Saint Martin 100 taka environmental conservation fee mandatory)।

সেন্টমার্টিন যেতে চান, কোথায় মিলবে ট্রাভেল পাশ?
প্রবাল প্রাচীর ঘেরা বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য সেন্টমার্টিন (St. Martin's Island)। এখন থেকে এই স্বর্গীয় দ্বীপটি ভ্রমণ করতে হলে পর্যটকদের জন্য ট্রাভেল পাশ (Travel Pass) সংগ্রহ করা বাধ্যতামূলক। পরিবেশ সুরক্ষার স্বার্থে এই নতুন বিধি আরোপ করা হয়েছে, যার ফলে ট্রাভেল পাশ ছাড়া কেউ আর সেন্টমার্টি দ্বীপে প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছেন না। সেন্টমার্টিন ট্রাভেল পাশ (St. Martin's Travel Pass) ব্যবস্থার পাশাপাশি পরিবেশ দূষণ রোধে দ্বীপে প্রবেশকারী পর্যটকদের ওপর আরোপ করা হয়েছে প্লাস্টিক নিষেধাজ্ঞা।

সেন্টমার্টিনে কুকুরের জন্য খাবার নিয়ে যাচ্ছে সম্মিলিত সংগঠনের টিম
কক্সবাজার টেকনাফ প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে কুকুরের জন্য খাবার নিয়ে যাচ্ছে সম্মিলিত গঠিত একটি সংগঠন। আজ (রোববার, ২৪ নভেম্বর) দুপুরে টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপ জেটি ঘাট থেকে বিভিন্ন প্রকার কুকুরের খাবার নিয়ে ট্রলারে করে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে ১১ জনের একটি দল।

পর্যটক সীমিত করলে সেন্টমার্টিন দ্বীপের পর্যটন শিল্প ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে: টোয়াব
সেন্টমার্টিন দ্বীপে ভ্রমণ বিষয়ে সরকারি সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে ‘সেন্টমার্টিন দ্বীপ পরিবেশ ও পর্যটন রক্ষা-উন্নয়ন জোট ও টুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (টোয়াব)’। সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটক সীমিত করলে পর্যটন শিল্প ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে জানায় টোয়াব। সেন্টমার্টিনের বিধিনিষেধ প্রত্যাহারে দুই দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছেন তারা। আজ (বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁও পরিবেশ অধিদপ্তরের সামনে মানববন্ধন, বিক্ষোভ সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা।

সেন্টমার্টিনে পর্যটক সীমিত করার সিদ্ধান্ত
প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব অপূর্ব জাহাঙ্গীর বলেছেন, সেন্টমার্টিনে পর্যটকের সংখ্যা সীমিত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘পর্যটকরা নভেম্বর মাসে সেন্টমার্টিনে রাতে থাকতে পারবেন না।’