
চট্টগ্রামে অপরিকল্পিত শিল্পায়নে নিরাপদ পানির সংকট; বিপাকে অন্তত ৫০ গ্রামের মানুষ
শহর ছাড়িয়ে চট্টগ্রামের গ্রামাঞ্চলে তীব্র আকার ধারণ করেছে সুপেয় পানির সংকট। সীতাকুণ্ড, মীরসরাই, কর্ণফুলী ও পটিয়াসহ অন্তত ৫০ গ্রামের মানুষ পড়েছেন ভয়াবহ পানির সংকটে। কোথাও ৪০০ থেকে ৫০০ ফুট গভীরেও মিলছে না নিরাপদ পানি। অপরিকল্পিত শিল্পায়নকেই দায়ী করছেন স্থানীয়রা।

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে সুপেয় পানির সংকট; দুর্ভোগে জনজীবন
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে সুপেয় পানির অভাবে জনজীবন দিন দিন কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে উঠছে। একদিকে খরা, অন্যদিকে সমুদ্রের লোনা পানির অনুপ্রবেশে নষ্ট হচ্ছে মাটির গুণাগুণ। বাড়ছে প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রবণতাও। পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় এবং ভূগর্ভস্থ জলাধার পূরণ না হওয়ায় পানির সংকটে বিপর্যস্ত এ জনপদের জনজীবন।

প্রায় এক দশক পর চালু হচ্ছে বেলতলা ও রূপাতলী সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট
প্রায় ১০ বছর বন্ধ থাকার পর আবারও চালু করা হচ্ছে বরিশাল নগরীর বেলতলা ও রূপাতলী এলাকার দুটি সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট। দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকায় প্লান্টের বেশিরভাগ যন্ত্রপাতি হয়ে পড়েছে অচল। ফলে নষ্ট হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জামাদি অনেক যন্ত্রাংশও হয়েছে চুরি। সিটি করপোরেশন জানিয়েছে, নতুন করে প্লান্টার বসানোর কাজ চলছে, খুব শিগগিরই পানি সরবরাহ করা হবে।

হাওরে সুপেয় পানির তীব্র সংকট, ভোগান্তিতে নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী
দিন দিন হাওরাঞ্চলে তীব্র হচ্ছে সুপেয় পানির সংকট। যে সংকটে সবচেয়ে বেশি ভুগছে প্রান্তিক অঞ্চলের নারীরা। পানির অভাবে ব্যাঘাত ঘটছে দৈনন্দিন কাজে, দেখা দিচ্ছে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যাও। সুপেয় পানির হাহাকার কাটাতে স্বল্পমেয়াদী কিছু প্রকল্প আশার আলো দেখালেও স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘমেয়াদী উদ্যোগের। অন্যদিকে, বেসরকারি উদ্যোগকে ত্বরান্বিত করতে সরকারের সহায়তা দাবি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর।

সুপেয় পানির সংকটে নেত্রকোণার সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারা
নেত্রকোণার সীমান্তবর্তী দুই উপজেলায় সুপেয় পানির সংকটে অর্ধ লক্ষাধিক বাসিন্দা। শুকনো মৌসুমে পানি সংগ্রহে অনেকেরই যেতে হয় মাইল খানেক দূরে। সংকট নিরসনে উদ্যোগ নেই। প্রশাসন জানিয়েছে, বিশেষ প্রকল্পের মাধ্যমে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের পাশাপাশি স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করছে তারা।

চুয়াডাঙ্গায় ব্যবহার অনুপযোগী কোটি টাকার শোধনাগার, বিশুদ্ধ পানির সংকট
৭ বছর আগে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভায় ভূ-গর্ভস্থ পানি শোধনাগারের উদ্বোধন হলেও পানি সরবরাহ সম্ভব হয়নি। ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত শোধনাগারটি এখন ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে আছে। ফলে পৌর এলাকার নাগরিকরা বিশুদ্ধ পানি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বছরের পর বছর। পৌর কর্তৃপক্ষ বলছে, লোকবল সংকটে শোধনাগারটি চালু রাখা সম্ভব হয়নি।

বিশুদ্ধ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার টেকসই উন্নয়নে পিছিয়ে রাজশাহী-খুলনা
আস্থা অর্জনে সচেষ্ট দুই সিটি কর্পোরেশন
লবণাক্ততা বৃদ্ধিসহ নানা কারণে দেশের ৪১ ভাগ মানুষ বঞ্চিত হচ্ছে বিশুদ্ধ পানি থেকে। অথচ পানি সরবরাহে নীতি নিয়ে বিস্তর অভিযোগ নাগরিকদের। সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, সুপেয় পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন নিয়ে কাজ করা সেবা সংস্থা ও সিটি কর্পোরেশনের উপর আস্থা কম রাজশাহী ও খুলনার সেবাগ্রহীতাদের। দুই সিটি কর্পোরেশন অবশ্য বলছে, বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করে আস্থা অর্জনের সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।

সুপেয় পানির অভাবে উপকূলের মানুষ
লবণাক্ততায় সুপেয় পানির সংস্থান নিয়ে ভুগতে হয় উপকূলীয় এলাকা খুলনার দাকোপের বাসিন্দাদের। যার সমাধান হিসেবে চালু করা হয় সুপেয় পানি সংরক্ষণ প্রকল্প। কিন্তু কয়েক মাস যেতে না যেতেই এর কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়ে। ফের এটি চালু করার দাবি এলাকাবাসীর। এছাড়াও সুপেয় পানি নিয়ে আরও নতুন প্রকল্প গ্রহণের কথা জানিয়েছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।

বান্দরবানে বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট
শুষ্ক মৌসুমে ঝিরি ও ঝরনার পানি শুকিয়ে বান্দরবানের পাহাড়ি এলাকায় তীব্র সুপেয় পানির সংকট। এমনকি কাজে আসছে না জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের শতকোটি টাকার প্রকল্পও। অভিযোগ রয়েছে নিয়ম মেনে কাজ না করায় শুষ্ক মৌসুম আসার আগেই অকেজো হয়ে পড়েছে প্রকল্পগুলো।

আজ থেকে খুলেছে স্কুল-কলেজ
প্রায় মাসখানেক পর আজ (রোববার, ২৮ এপ্রিল) থেকে চলমান তাপপ্রবাহের মধ্যে সারাদেশের স্কুল-কলেজ খুলেছে। এদিন সকাল থেকেই শিক্ষার্থীরা স্কুলে আসতে শুরু করেন। আজ থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজেও ক্লাস চলছে।

তীব্র গরমে উত্তরের জনপদে পানির সংকট
চলমান তাপপ্রবাহের সঙ্গে উত্তরের জনপদে পানির সংকট যুক্ত হয়েছে। টিউবওয়েল থাকলেও অনেক বাড়িতে সুপেয় পানি মিলছে না। মাটির নিচে গর্ত খুঁড়েও ডিজেল পাম্পে জুটছে না সেচের জল। তৃষ্ণা মেটাতে গুণতে হচ্ছে বাড়তি অর্থ।

বন্দর নগরীতে সুপেয় পানির তীব্র সংকট
কাপ্তাই হ্রদে পানির পরিমাণ আশংকাজনক কমায়, লবণাক্ততা বেড়ে হুমকির মুখে হালদা নদী। লবণ বাড়ায় বর্তমানে দিনে ৪ ঘণ্টা পানি উত্তোলন বন্ধ রাখতে হচ্ছে ওয়াসাকে। এতে দেখা দিয়েছে সুপেয় পানির সংকট। এরইমাঝে গ্রাহকপর্যায়ে পানির বিল ৬১ শতাংশ বাড়াতে চায় চট্টগ্রাম ওয়াসা।