শঙ্খ
বিষাদের সুর আর সিঁদুরের রঙে বিদায় ‘দুর্গতিনাশিনী’; আসছে বছর আবার হবে

বিষাদের সুর আর সিঁদুরের রঙে বিদায় ‘দুর্গতিনাশিনী’; আসছে বছর আবার হবে

শঙ্খের গম্ভীর ধ্বনি, নারীদের উলুধ্বনি, ঢাকের কাঠিতে চেনা সুরের ঝংকার আর ধূপ-ধুনোর মিষ্টি সুবাস; সব মিলিয়ে বাতাসজুড়ে এক পরম পবিত্র পরিবেশ। কিন্তু সেই উৎসবের আবহেই যেন লুকিয়ে ছিলো এক অদ্ভুত বিষাদ। আশ্বিনের রূপালী আলোয় যখন বিজয়া দশমীর সকাল নেমে এলো, তখন ঢাকের বোলেও বদলে গেল সুর। আনন্দের জায়গায় বাজে বিদায়ের ধ্বনি। মণ্ডপে মণ্ডপে দেবীর পাদপদ্মে মাথা ঠেকিয়ে, সিঁদুর ছুঁইয়ে আর চোখের জলে ‘পিতৃগৃহ’ থেকে ‘কৈলাসে’ বিদায় জানানো হলো দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গাকে।

একইদিনে মহাষ্টমী ও নবমীতে মণ্ডপে মণ্ডপে ভক্তদের ভিড়

একইদিনে মহাষ্টমী ও নবমীতে মণ্ডপে মণ্ডপে ভক্তদের ভিড়

শারদীয় দুর্গাপূজায় একইদিনে মহাষ্টমী ও নবমীতে সারাদেশের মণ্ডপে মণ্ডপে ভিড় জমিয়েছেন ভক্তরা। শঙ্খ, উলুধ্বনি আর ঢাকের তালে জমজমাট উৎসবমুখর কুমারীপূজার আয়োজন। মন্দিরে ঢাক-ঢোল-কাঁসর বাদ্য আর উলুধ্বনিতে চলে প্রার্থনা। পূজা শেষে হাতের মুঠোয় ফুল, বেলপাতা নিয়ে মন্ত্র উচ্চারণের মধ্য দিয়ে পূজার প্রথম অঞ্জলি দেন দেবীর পায়ে।