
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর
নবম জাতীয় বেতনকাঠামোর (9th National Pay Scale) প্রজ্ঞাপন জারির পর সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় সুখবর এসেছে। জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড (General Provident Fund - GPF) ও কনট্রিবিউটরি প্রভিডেন্ট ফান্ডের (Contributory Provident Fund - CPF) জমাকৃত অর্থের বিপরীতে নতুন মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তহবিলের মোট স্থিতির ভিত্তিতে সরকারি কর্মচারীরা সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা উপভোগ করতে পারবেন (GPF Profit Rate Announcement BD)।

সঞ্চয়পত্রে সর্বোচ্চ মুনাফা পেতে চান? কেনার সময় ৫টি ভুল ও ফাঁদ এড়িয়ে চলুন
সঞ্চয়পত্রকে (Sanchayapatra Investment in Bangladesh) দেশের সবচেয়ে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য মেয়াদি বিনিয়োগ হিসেবে গণ্য করা হয়। তবে নিয়মকানুনের স্বচ্ছ ধারণার অভাবে বা ভুল সিদ্ধান্তের কারণে অনেক বিনিয়োগকারী কাঙ্ক্ষিত লাভের মুখ দেখতে পান না। উল্টো জরুরি প্রয়োজনে টাকা তুলে নিতে গিয়ে অর্থদণ্ড বা কম মুনাফা পাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার যে হার নির্ধারণ করলো সরকার
চলতি বছরের শেষ ছয় মাস অর্থাৎ, জুলাই থেকে ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত মেয়াদের জন্য সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার (Savings Certificate Interest Rate) নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ছয় মাস সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার সম্পূর্ণ অপরিবর্তিত থাকবে। ফলে বিনিয়োগকারীরা আগের হারেই তাদের লভ্যাংশ বা মুনাফা তুলতে পারবেন, যেখানে স্কিমের ধরন অনুযায়ী মুনাফার সর্বোচ্চ হার হবে ১১.৮২ শতাংশ থেকে ১১.৯৮ শতাংশ পর্যন্ত (Savings Certificate Interest Rate Bangladesh)।

সবচেয়ে বেশি মুনাফা কোন সঞ্চয়পত্রে? কিনবেন কীভাবে
নিরাপদ বিনিয়োগ এবং সর্বোচ্চ মুনাফার (High Interest Rate) খোঁজে থাকা অবসরভোগীদের জন্য বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক মাধ্যম হলো পেনশনার সঞ্চয়পত্র (Pensioner Savings Certificate)। সরকার ২০০৪ সালে এই স্কিমটি চালু করে, যা বর্তমানে এর উচ্চ মুনাফার কারণে বিনিয়োগকারীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। মূলত অবসরভোগীরা যাতে বেশি মুনাফা পান, সে জন্য সরকার এই হার বেশি রেখেছে।

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত বাতিল সরকারের
আগের হার বহাল
সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে সরকার। এর পরিবর্তে আগের মুনাফার হার বহাল রাখা হবে। আজ (রোববার, ৪ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করার জন্য অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগকে (আইআরডি) অনুরোধ করেছে অর্থ বিভাগ। আইআরডি এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করবে।