
কুষ্টিয়ায় পদ্মার পানি বৃদ্ধি: পানিবন্দী ২০ হাজার পরিবার, ভাঙন ও দুর্ভোগ চরমে
কুষ্টিয়ার পদ্মা নদীতে প্রতিদিনই বাড়ছে পানি। প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। জেলার সীমান্তবর্তী দৌলতপুর উপজেলার দুই ইউনিয়ন- চিলমারি ও রামকৃষ্ণপুরের প্রায় ২০ হাজার পরিবারের অর্ধ লক্ষ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে অন্তত ৩০টিরও বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের। তলিয়ে গেছে চলাচলের রাস্তা ও বিপুল পরিমাণ ফসলি জমিও। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন মানুষ। দুর্গত এলাকায় এখনো পর্যন্ত পৌঁছেনি ত্রাণ সামগ্রী।

নতুন করে পানির বাঁধে ভাঙন; নেপালে সতর্কতা জারি
পাহাড়ের ঢালে ধ্বংসস্তূপ জমে তৈরি হওয়া একটি বাঁধ থেকে জমতে থাকা পানি উপচে পড়তে শুরু করেছে। আজ (শুক্রবার, ২৮ আগস্ট) নেপালের পুলিশ এক বিবৃতিতে এ কথা জানায়।

হবিগঞ্জের খোয়াই নদীর বাঁধে আবারও ভাঙন, লোকালয়ে ঢুকছে পানি
হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের কালীগঞ্জ এলাকায় খোয়াই নদীর বাঁধে আবারও ভাঙন দেখা দিয়েছে। দেড় মাসের ব্যবধানে একই স্থানে নতুন করে বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় নদী তীরবর্তী এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

দৌলতপুরে পদ্মার ভয়াবহ ভাঙন; বিলীন শতাধিক একর আবাদি জমি
টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মাসহ প্রধান তিনটি নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এরসঙ্গে বাড়ছে নদী ভাঙনও।

বাঁধ নির্মাণে আগের সরকারের দুর্নীতির তদন্ত হবে: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী
যমুনা নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়ক পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, এমপি। এ সময় তিনি বলেন, আগের সরকারের আমলে বেড়িবাঁধ নির্মাণে সংঘটিত অনিয়ম ও দুর্নীতির তদন্ত করা হবে। একই সঙ্গে খুব শিগগিরই পরিকল্পিতভাবে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

নদী ভাঙনে বিলীন দেওয়ানগঞ্জের দেড় শতাধিক বসতবাড়ি
যমুনা নদীর বাম তীরে ভাঙনের খবর নতুন কিছু নয়। বছরের পর বছর ভাঙনের কবলে পড়ে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে গ্রামের পর গ্রাম। বাস্তুচ্যুত হয়েছে অসংখ্য মানুষ। এবার অসময়ের তীব্র ভাঙনে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে দেড় শতাধিক বসতবাড়ি ও ফসলি জমি। এছাড়াও এলজিইডি’র সদ্য সংস্কার করা প্রায় দুইশ মিটার পাকা সড়ক নদীগর্ভে চলে গেছে। এতে হুমকির মুখে রয়েছে আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

বিষখালী নদীর ভাঙনে ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন শত শত পরিবার
বরগুনায় বিষখালী নদীর তীব্র ভাঙনে বিলীন হচ্ছে একের পর এক বসতবাড়ি ও ফসলি জমি। পৈতৃক ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন শত শত পরিবার। পাউবো বলছে, জেলার প্রায় ৫০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ এখনও চরম ঝুঁকিতে রয়েছে।

মৌলভীবাজারের বন্যা-ভাঙন আতঙ্কে মনু ও ধলাই নদীপাড়ের মানুষ
মৌলভীবাজারের মনু ও ধলাই নদীর পাড়ের মানুষ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প থাকা সত্ত্বেও বেড়িবাঁধের অসম্পূর্ণ কাজের কারণে বন্যা এবং নদী ভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে ঘরবাড়ি ও ফসল নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার শঙ্কায় এলাকাবাসী চরম উদ্বেগে রয়েছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা জানান, নানা জটিলতার কারণে প্রকল্পের কাজ বন্ধ থাকলেও শিগগিরই বাঁধ মেরামতের কাজ শুরু হবে। জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, জমি অধিগ্রহণের টাকা বরাদ্দ পেলে স্থায়ী সমাধান নেয়া হবে।

বর্ষা মৌসুমে নদী ভাঙন, অস্তিত্ব সংকটে পাটুরিয়া ফেরিঘাট
পদ্মা সেতু চালু হলেও একটুও গুরুত্ব কমেনি পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথের। চাপ কিছুটা কমলেও এখনও প্রতিদিন পারাপার হচ্ছে দেড় থেকে দুই হাজার যানবাহন এবং কয়েক হাজার যাত্রী। তবে বর্ষা মৌসুমে তীব্র স্রোত আর ভাঙনে, অস্তিত্ব সংকটে পাটুরিয়া ফেরিঘাট। স্থানীয়দের অভিযোগ, আগে থেকেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিলে ঠেকানো যেত ক্ষয়ক্ষতি, আর ঘাট সংস্কারে উদ্যোগ নেয়ার দাবি বিআইডব্লিউটিএ'র।

প্রায় ২৪ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর পুনরায় সচল পাটুরিয়া ৪ নম্বর ফেরিঘাট
প্রায় ২৪ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর আবারও সচল হয়েছে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ার ৪ নম্বর ফেরিঘাট। পদ্মা নদীর তীব্র স্রোত ও ভাঙনের কারণে বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) ভোরে ফেরিঘাটটির দুটি র্যাম্প পানিতে ডুবে গেলে ফেরি চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের ফেরি যোগাযোগ ব্যাহত হয়।

পদ্মার ভাঙনে পাটুরিয়ার ৪ নম্বর ফেরিঘাট বন্ধ, ব্যাহত ফেরি চলাচল
পদ্মা নদীর তীব্র স্রোত ও ভাঙনের কারণে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ার ৪ নম্বর ফেরিঘাট বন্ধ হয়ে গেছে। আজ (বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট) ভোরে ভাঙনের ফলে ফেরিঘাটের র্যাম্প পানিতে ডুবে গেলে ঘাটটি দিয়ে ফেরি চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়।

পদ্মা সেতুর প্রকল্প এলাকায় ভয়াবহ ভাঙন, নদীতে বিলীন ৮০০ মিটার বাঁধ
শরীয়তপুরের জাজিরায় পদ্মা সেতু প্রকল্প এলাকা রক্ষা বাঁধটির ৮০০ মিটার অংশ নদীতে বিলীন হয়েছে। ফলে, ঝুঁকির মুখে রয়েছে সেতু সংলগ্ন অবকাঠামো ও হাট-বাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিস্তীর্ণ জনপদ। অব্যাহত ভাঙন ঝুঁকিতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে অন্তত ৬০০ পরিবার।