
দৌলতপুরে পদ্মার ভয়াবহ ভাঙন; বিলীন শতাধিক একর আবাদি জমি
টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মাসহ প্রধান তিনটি নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এরসঙ্গে বাড়ছে নদী ভাঙনও।

বাঁধ নির্মাণে আগের সরকারের দুর্নীতির তদন্ত হবে: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী
যমুনা নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়ক পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, এমপি। এ সময় তিনি বলেন, আগের সরকারের আমলে বেড়িবাঁধ নির্মাণে সংঘটিত অনিয়ম ও দুর্নীতির তদন্ত করা হবে। একই সঙ্গে খুব শিগগিরই পরিকল্পিতভাবে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

নদী ভাঙনে বিলীন দেওয়ানগঞ্জের দেড় শতাধিক বসতবাড়ি
যমুনা নদীর বাম তীরে ভাঙনের খবর নতুন কিছু নয়। বছরের পর বছর ভাঙনের কবলে পড়ে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে গ্রামের পর গ্রাম। বাস্তুচ্যুত হয়েছে অসংখ্য মানুষ। এবার অসময়ের তীব্র ভাঙনে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে দেড় শতাধিক বসতবাড়ি ও ফসলি জমি। এছাড়াও এলজিইডি’র সদ্য সংস্কার করা প্রায় দুইশ মিটার পাকা সড়ক নদীগর্ভে চলে গেছে। এতে হুমকির মুখে রয়েছে আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

বিষখালী নদীর ভাঙনে ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন শত শত পরিবার
বরগুনায় বিষখালী নদীর তীব্র ভাঙনে বিলীন হচ্ছে একের পর এক বসতবাড়ি ও ফসলি জমি। পৈতৃক ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন শত শত পরিবার। পাউবো বলছে, জেলার প্রায় ৫০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ এখনও চরম ঝুঁকিতে রয়েছে।

মৌলভীবাজারের বন্যা-ভাঙন আতঙ্কে মনু ও ধলাই নদীপাড়ের মানুষ
মৌলভীবাজারের মনু ও ধলাই নদীর পাড়ের মানুষ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প থাকা সত্ত্বেও বেড়িবাঁধের অসম্পূর্ণ কাজের কারণে বন্যা এবং নদী ভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে ঘরবাড়ি ও ফসল নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার শঙ্কায় এলাকাবাসী চরম উদ্বেগে রয়েছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা জানান, নানা জটিলতার কারণে প্রকল্পের কাজ বন্ধ থাকলেও শিগগিরই বাঁধ মেরামতের কাজ শুরু হবে। জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, জমি অধিগ্রহণের টাকা বরাদ্দ পেলে স্থায়ী সমাধান নেয়া হবে।

বর্ষা মৌসুমে নদী ভাঙন, অস্তিত্ব সংকটে পাটুরিয়া ফেরিঘাট
পদ্মা সেতু চালু হলেও একটুও গুরুত্ব কমেনি পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথের। চাপ কিছুটা কমলেও এখনও প্রতিদিন পারাপার হচ্ছে দেড় থেকে দুই হাজার যানবাহন এবং কয়েক হাজার যাত্রী। তবে বর্ষা মৌসুমে তীব্র স্রোত আর ভাঙনে, অস্তিত্ব সংকটে পাটুরিয়া ফেরিঘাট। স্থানীয়দের অভিযোগ, আগে থেকেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিলে ঠেকানো যেত ক্ষয়ক্ষতি, আর ঘাট সংস্কারে উদ্যোগ নেয়ার দাবি বিআইডব্লিউটিএ'র।

প্রায় ২৪ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর পুনরায় সচল পাটুরিয়া ৪ নম্বর ফেরিঘাট
প্রায় ২৪ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর আবারও সচল হয়েছে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ার ৪ নম্বর ফেরিঘাট। পদ্মা নদীর তীব্র স্রোত ও ভাঙনের কারণে বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) ভোরে ফেরিঘাটটির দুটি র্যাম্প পানিতে ডুবে গেলে ফেরি চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের ফেরি যোগাযোগ ব্যাহত হয়।

পদ্মার ভাঙনে পাটুরিয়ার ৪ নম্বর ফেরিঘাট বন্ধ, ব্যাহত ফেরি চলাচল
পদ্মা নদীর তীব্র স্রোত ও ভাঙনের কারণে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ার ৪ নম্বর ফেরিঘাট বন্ধ হয়ে গেছে। আজ (বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট) ভোরে ভাঙনের ফলে ফেরিঘাটের র্যাম্প পানিতে ডুবে গেলে ঘাটটি দিয়ে ফেরি চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়।

পদ্মা সেতুর প্রকল্প এলাকায় ভয়াবহ ভাঙন, নদীতে বিলীন ৮০০ মিটার বাঁধ
শরীয়তপুরের জাজিরায় পদ্মা সেতু প্রকল্প এলাকা রক্ষা বাঁধটির ৮০০ মিটার অংশ নদীতে বিলীন হয়েছে। ফলে, ঝুঁকির মুখে রয়েছে সেতু সংলগ্ন অবকাঠামো ও হাট-বাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিস্তীর্ণ জনপদ। অব্যাহত ভাঙন ঝুঁকিতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে অন্তত ৬০০ পরিবার।

শরীয়তপুরে পদ্মার ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন বহু স্থাপনা
শরীয়তপুরের জাজিরায় আবারো ভয়াল রূপ ধারণ করেছে পদ্মা। ভাঙনের শিকার হয়ে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে গাছপালাসহ বহু স্থাপনা। স্থানীয়রা এ বিষয়ে জানায়, ভোর থেকেই নদীর ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করে। আলমখা কান্দির জিরো পয়েন্ট এলাকায় পদ্মা সেতু প্রকল্পরক্ষা বাঁধের শেষ অংশ ভেঙে যায়। নিমিষেই পদ্মার গর্ভে তলিয়ে যায় গাছপালা। আলমখা কান্দি জামে মসজিদের দোতলা পাকা ভবনটি ভাঙনের শিকার হয়ে পদ্মা নদীতে ডুবে যায়।

কক্সবাজারে বৃষ্টি-ঝড়ের দুর্ভোগ; টেকনাফ মেরিন ড্রাইভে ভয়াবহ ভাঙন
ভারী বৃষ্টি-ঝড়ো হাওয়ায় বিপর্যস্ত পর্যটন শহর কক্সবাজার। বিপাকে পর্যটকরাও। এদিকে, টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের ভাঙন ক্রমেই বড় হচ্ছে। অস্বাভাবিক জোয়ারে তিনটি স্থানে ধসে গেছে গুরুত্বপূর্ণ এ উপকূলীয় সড়ক। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিবছর জিওব্যাগ বসানো হলেও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে নেয়া হয়নি কোনো উদ্যোগ। এরইমধ্যেই সেনাবাহিনী মেরিন ড্রাইভে সংস্কার কাজ শুরু করছে। সেইসঙ্গে ভাঙন ঠেকাতে সীওয়াল নির্মাণের পরিকল্পনাও নেয়া হয়েছে। তবে সৈকতের ভাঙন ঠেকাতে এখনো মাঠে নামেনি পানি উন্নয়ন বোর্ড।

পদ্মার গতিপথ পরিবর্তন: ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় আড়াই শতাধিক পরিবার
পদ্মাসেতুর মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন হলেও বিশাল এ স্থাপনার প্রভাব পড়েছে নদীর প্রবাহে। সেতু এলাকায় হারিয়েছে চিরচেনা প্রমত্তার রূপ। পলি পড়ে সৃষ্টি হয়েছে বিশাল চর। নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে দেখা দিয়েছে তীব্র ভাঙন। গেলো ৮ মাসে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে সেতু প্রকল্প রক্ষা বাঁধের ৫শ মিটার। ভাঙনে সর্বস্ব হারিয়েছেন আড়াই শতাধিক পরিবার। কর্তৃপক্ষ বলছে মরফোলজিক্যাল জরিপ শেষেই নেয়া যাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা।