
গণভোট কেন দেবেন, কীভাবে দেবেন
আজ (বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য দিন। একদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, অন্যদিকে ভবিষ্যতের রাষ্ট্রকাঠামো নির্ধারণে ঐতিহাসিক গণভোট (Referendum)। গণভোট মানে হলো কোনো সুনির্দিষ্ট নীতি বা সাংবিধানিক পরিবর্তনের ওপর জনগণের সরাসরি রায়। এবারের গণভোট মূলত ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ (July National Charter 2025) বাস্তবায়নের একটি আইনি ম্যান্ডেট। ভোটাররা যদি এই সনদের সংস্কার প্রস্তাবগুলোতে 'হ্যাঁ' ভোট দেন, তবে নবনির্বাচিত সংসদ পরবর্তী ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে এই পরিবর্তনগুলো সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে বাধ্য থাকবে।

গণভোট শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সিদ্ধান্ত: সুপ্রদীপ চাকমা
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, গণভোট শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়। এটা একটা রাষ্ট্রের চিন্তা। আমরা রাষ্ট্রকে কীভাবে দেখতে চাই। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কী হবে-এটাই আমাদের গণভোট। আজ (শনিবার, ১৭ জানুয়ারি) রাঙামাটিতে অনুষ্ঠিত গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে মতবিনিময় সভা প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।