এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
শিক্ষকদের এপ্রিল মাসের এমপিও বিল জমার সময় জানালো মাউশি

শিক্ষকদের এপ্রিল মাসের এমপিও বিল জমার সময় জানালো মাউশি

দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের এপ্রিল মাসের এমপিও বিল (MPO Bill) জমা দেওয়ার সময়সীমা ঘোষণা করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। আগামী ২৪ এপ্রিলের মধ্যে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের অনলাইনে এই বিল সাবমিট করার জন্য জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য সুখবর: বাড়ছে উৎসব ভাতা

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য সুখবর: বাড়ছে উৎসব ভাতা

নতুন সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে শিক্ষা খাতে বড় ধরণের পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের উদ্যোগে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসব ভাতা (Festival Allowance of MPO Teachers) বৃদ্ধির প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এর ফলে শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবির আংশিক পূরণ হতে যাচ্ছে।

শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা কবে, জানালো মাউশি

শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা কবে, জানালো মাউশি

বেসরকারি স্কুল ও কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বৈশাখী ভাতা (Baishakhi Allowance) প্রদানের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) জানিয়েছে, ভাতার অর্থ ইতোমধ্যে চিফ অ্যাকাউন্টস অফিসে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন মিললে আজ (সোমবার, ১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যার মধ্যেই অনেক শিক্ষক-কর্মচারীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ভাতার টাকা পৌঁছে যাবে।

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মার্চের বেতন নিয়ে নতুন তথ্য, টাকা পাবেন যেদিন

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মার্চের বেতন নিয়ে নতুন তথ্য, টাকা পাবেন যেদিন

বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত পৌনে চার লাখেরও বেশি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের (MPO Teachers and Staff) মার্চ মাসের বেতন ছাড় নিয়ে নতুন তথ্য পাওয়া গেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় গত ৫ এপ্রিল বেতনের প্রস্তাব অনুমোদন করলেও আইবাস (iBAS++) সফটওয়্যারে কারিগরি জটিলতার কারণে টাকা ছাড় করতে বিলম্ব হচ্ছে। তবে আশা করা হচ্ছে, আজ (বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল) নাগাদ বেতনের টাকা ব্যাংকে পাঠানো শুরু হবে।

বৈশাখী ভাতা নিয়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য সুখবর, টাকা পাবেন যেদিন

বৈশাখী ভাতা নিয়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য সুখবর, টাকা পাবেন যেদিন

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের (MPO Teachers and Staff) জন্য সুখবর নিয়ে এলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ২০২৬ সালের বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বৈশাখী ভাতার (Boishakhi Allowance) প্রস্তাব চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আজ (বুধবার, ৮ এপ্রিল) বিকেলে আইবাস প্লাস প্লাস (iBAS++) সিস্টেমে এই ভাতার ১৮১ কোটি টাকারও বেশি বিল সাবমিট করা হয়েছে।

শিক্ষকদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন নিয়ে মাউশির সুখবর

শিক্ষকদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন নিয়ে মাউশির সুখবর

দেশের বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত পৌনে চার লাখেরও বেশি এমপিওভুক্ত (MPO) শিক্ষক-কর্মচারী এখনো তাদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন পাননি। গত মঙ্গলবার বেতনের অনুমোদন হলেও কারিগরি জটিলতায় অর্থ ছাড় না হওয়ায় এই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সামনে পবিত্র ঈদুল ফিতর (Eid-ul-Fitr) থাকায় সময়মতো বেতন না পেয়ে অনেক শিক্ষক-কর্মচারী তাদের ঈদের কেনাকাটা (Eid Shopping) করতে পারছেন না জানিয়ে গভীর হতাশা প্রকাশ করেছেন।

১৭১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়া শুরু, প্রজ্ঞাপন কবে?

১৭১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়া শুরু, প্রজ্ঞাপন কবে?

দেশের ১ হাজার ৭১৯টি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে (স্কুল ও কলেজ) প্রথম পর্যায়ে এমপিওভুক্ত করার প্রাথমিক প্রক্রিয়া (Initial process of MPO enlistment) শুরু করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে মূল্যায়িত এই প্রতিষ্ঠানগুলোর এমপিওভুক্তির বিষয়ে সম্মতি চেয়ে ইতিমধ্যে অর্থ বিভাগে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।

এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত ৪১ হাজার শিক্ষকের তথ্য তলব, মন্ত্রণালয়ের জরুরি নির্দেশনা

এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত ৪১ হাজার শিক্ষকের তথ্য তলব, মন্ত্রণালয়ের জরুরি নির্দেশনা

দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (Non-Government Educational Institutions) সুপারিশপ্রাপ্ত ৪১ হাজার ৬২৭ জন শিক্ষকের বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (NTRCA)- এর মাধ্যমে ২০২৫ সালে তাদের নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছিল। মূলত এই শিক্ষকদের বর্তমান অবস্থা এবং এমপিওভুক্তি (MPO Listing) নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মাধ্যমিক পর্যায়ে এখনো ৩৩ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে!

মাধ্যমিক পর্যায়ে এখনো ৩৩ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে!

দেশে মাধ্যমিক পর্যায়ে এখনো ৩৩ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। এতো সংখ্যক শিক্ষার্থী ঝরে পড়া বিগত সরকারের ব্যর্থতা বলে মনে করেন শিক্ষাবিদদের অনেকেই। এর কারণ পারিবারিক অস্বচ্ছলতা, বাল্যবিয়ে, শিশুশ্রম, পড়াশোনার প্রতি অনীহা-অসচেতনতা। অঞ্চল ভেদে এর কারণেও আছে ভিন্নতা। এছাড়া গত একবছরে একজন শিক্ষার্থীর পেছনে পড়াশোনার খরচ বেড়েছে দ্বিগুণ। শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধে সরকারকে এখনই যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান বিশেষজ্ঞদের।