সমুদ্রের জলরাশি, পাহাড়, বন কিংবা ঐতিহাসিক স্থাপনাকে ঘিরে পর্যটনের বৈচিত্র্য এ বাংলায়। পর্যটন এখন শুধু ভ্রমণ নয় বরং অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, সংস্কৃতি ও প্রযুক্তির সাথে গভীর হচ্ছে এর সম্পর্ক।
প্রযুক্তির পরিবর্তনে বদলে যাচ্ছে পর্যটকদের রুচি, গন্তব্য আর ভ্রমণ পরিকল্পনা। এমন অবস্থায় এ খাতকে গতিশীল করতে জোর দেয়া হচ্ছে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের ওপর।
পর্যটননির্ভর ব্যবসা কর্মসংস্থানে তৈরি করতে পারে নতুন সুযোগ। পর্যটন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংকট কাটিয়ে এ খাতকে এগিয়ে নিতে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের সাথে প্রয়োজন প্রযুক্তিগত সহায়তা।
পর্যটন বিশেষজ্ঞ ওয়াহিদুল বলেন, ‘এখন কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ার যুগ। বর্তমানে প্রোমোশনটা খুব একটা কষ্টসাধ্য কিছু নয়। আগে যেমন কষ্ট হতো করতে, এখন কিন্তু আমরা যাই করি—সোশ্যাল মিডিয়াকে আমরা এনগেজ করি, আমরা বিভিন্ন ব্লগার, বিভিন্ন ধরনের এদেরকে ইউজ করতে পারি। উদ্যোগটা সরকার—সরকারীভাবেই নিতে হবে। প্রাইভেট সেক্টর ব্যবসায়ী যারা আছে, তারা ডেফিনেটলি তারা এগিয়ে যাবে। সরকার যখন এ ধরনের উদ্যোগ নিবে, এ রোডশো গুলোর আয়োজন করার জন্য সরকারের যেটা ইয়ে আছে—ট্যুরিজম বোর্ড আছে, তাদেরকে উদ্যোগ নিতে হবে।’
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে ভরা বাংলাদেশের পর্যটনকে প্রযুক্তিবান্ধব করার মধ্যদিয়ে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরাই মূল লক্ষ্য, বলছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। এরই মধ্যে পর্যটকদের জন্য প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানায় পর্যটন করপোরেশন।
বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান বলেন, ‘এ টেকনোলজি তো অবশ্যই এডপ্ট করতে হবে। আমাদেরও করতে হবে, পর্যটন করপোরেশনের যেসব স্থাপনা রয়েছে, সেখানেও আমরা এ টেকনোলজিটা এডপ্ট করতে চাই। পর্যটন করপোরেশনের পক্ষ থেকে অলরেডি আমাদের বিভিন্ন পার্টির সঙ্গে, প্রাইভেট সেক্টরের সঙ্গে আমরা কথাবার্তা বলেছি। দেশি এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদেরকে আকৃষ্ট করতে হবে এ সেক্টরে ইনভেস্ট করার জন্য।’
পর্যটন খাতের প্রসার ও দেশের ঐতিহ্য রক্ষায় টেকসই উদ্যোগই হতে পারে অন্যতম ভিত্তি। এরই ধারাবাহিকতায় সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়ন ও এ খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রত্যাশা বিশেষজ্ঞদের।





