জামালপুর দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক জিহাদুল ইসলাম জানান, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন জামালপুর পাসপোর্ট অফিসে অভিযান পরিচালনা করেছে। অভিযানের অংশ হিসেবে প্রথমে সেবাগ্রহীতা হিসেবে সাদা পোশাকে পাসপোর্ট অফিসের সামনে থাকা কম্পিউটারের দোকানগুলোতে খোঁজ নেয়া হয় এবং তারা জানায়, এসব কম্পিউটার দোকানের মাধ্যমে আবেদন করলে দ্রুত সময়ের মধ্যে পাসপোর্ট করে দেয়া হয়।
এক্ষেত্রে আবেদনে সুনির্দিষ্ট কিছু চিহ্ন ব্যবহার করা হয়ে থাকে, যারা সরাসরি পাসপোর্ট আবেদন করে তারা বিভিন্ন ভোগান্তির শিকার হয়। পরবর্তীতে জামালপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক রিয়াদ রায়হান আবিদের সহযোগিতা নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে অভিযান চালানো হয়।
এসময় অভিযান চালিয়ে পাসপোর্টের বিভিন্ন আবেদনে বিশেষ প্রতীকী চিহ্নের প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে অভিযানের খবর পেয়ে অপরাধীরা আগেই পালিয়ে যায়, যে কারণে অভিযান চলাকালে হাতে নাতে কাউকে আটক করা যায়নি, একজনকে পাওয়া গেলেও তাকে সর্তক করে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
তবে অভিযান চলাকালে আবেদনে বিশেষ চিহ্ন বিষয়ে পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা সুনির্দিষ্ট কোনো জবাব দিতে পারেনি। অভিযানে প্রাপ্ত প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে, তারা পরবর্তী নির্দেশনা দিলে সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ নেয়া হবে।
দুদকের অভিযান চলাকালে জামালপুর দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-সহকারী পরিচালক জিহাদুল ইসলাম, আতিউর রহমানসহ দুদকের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জামালপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক রিয়াদ রায়হান আবিদ জানান, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি এই অফিসে যোগদান করেছেন, তবে ইতিপূর্বে আব্দুল কাদির নামে এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুদক এই অভিযান পরিচালনা করেছে। এরপরও যদি পাসপোর্ট অফিসের কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া যায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।





