শীতের আগমনী বার্তা, পঞ্চগড়ে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড

পঞ্চগড়ে সকালে হালকা কুয়াশার দেখা মিলছে
পঞ্চগড়ে সকালে হালকা কুয়াশার দেখা মিলছে | ছবি: এখন টিভি
0

হেমন্তের শুরুতেই উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে নামতে শুরু করেছে তাপমাত্রার পারদ। দিনে কড়া রোদ আর রাতে অনুভূত হচ্ছে শীতের আমেজ। গত এক সপ্তাহ ধরেই দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হচ্ছে উত্তরের প্রান্তিক জেলা পঞ্চগড়ে। এতে আগাম শীতের আভাস পাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আজ (মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর) সকাল ৯টায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

এর আগের দিন সোমবার (২৬ অক্টোবর) ছিলো ১৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, রোববার (২৫ অক্টোবর) ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং শনিবার (২৪ অক্টোবর) তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

কয়েক দিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা কমে আসায় রাত ও ভোরে শীতের অনুভূতি বাড়ছে। ভোরে হালকা কুয়াশা থাকে চারপাশে। তবে দিনের চিত্র ভিন্ন। সকালেই দেখা মেলে সূর্যের। বেলা বাড়লে বাড়ে রোদের তীব্রতা।

দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ থেকে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। তাই দিনে গরম আর রাতে শীত এমন আবহাওয়ায় খাপ খাইয়ে নিতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে এ জনপদের মানুষকে।

এদিকে আকাশ পরিষ্কার থাকায় পঞ্চগড়ের বিভিন্ন এলাকার ফাঁকা জায়গা থেকে দেখা মিলছে হিমালয়ের দ্বিতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘা। কাঞ্চনজঙ্ঘার মোহনীয় সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেশের উত্তর দুয়ারে ছুটছেন প্রকৃতিপ্রেমিরা।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্বাস আলী বলেন, ‘রাতে এখন বেশ ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। কাঁথা জড়িয়ে ঘুমাতে হয়। ঠান্ডা থাকে সকাল পর্যন্ত। দিনে আবার প্রচণ্ড গরম অনুভূত হয়।’

ঢাকার টঙ্গী থেকে আসা আতাউর রহমান বাবু বলেন, ‘ঢাকায় ফ্যান ছাড়া ঘুমানো যায় না। কিন্তু এখানে এসে শীতের অনুভূতি পাচ্ছি। রাতে কম্বল নিয়ে ঘুমাতে হয়েছে। পঞ্চগড়ের আগাম শীত উপভোগ করছি।’

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জীতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, ‘গত এক সপ্তাহজুড়ে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হচ্ছে পঞ্চগড়ে। তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। তবে নভেম্বর শুরু থেকে শীতের তীব্রতা কিছুটা বাড়বে এবং মধ্যভাগে আরও বাড়বে।’

এসএইচ