দেশে এখন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভাল সম্পর্ক রাখতে চায় আওয়ামী লীগ

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক ভাল করার জন্য আমরা যথেষ্ট ধৈর্যশীল। নতুন সংকটে পা দিতে চাই না।’

শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) বেলা ১২টায় ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ কথা বলেন তিনি।

গত ১৮ জানুয়ারি মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার টানা চতুর্থ মেয়াদকে স্বীকৃতি দেয় না যুক্তরাষ্ট্র।

মিলারের এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, অস্বস্তিতে নেই আওয়ামী লীগ।

বিএনপির এসময় নিশ্চুপ থাকায় শঙ্কা প্রকাশ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি বড় ধরনের সহিংসতার জন্য শক্তি সঞ্চয় করতে পারে।

তিনি বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা নিয়ে ভাবছে সরকার। রাজনৈতিক সংকট কাটিয়ে এসেছি। ফেলে আসা বিষয় নিয়ে আর সময়ক্ষেপণ নয়। নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক সংকট পেরিয়ে এলেও প্রাকৃতিক ও যুদ্ধের সংকটের ইতি কোথায় কেউ জানে না।

বিএনপির নির্বাচনে না আসাকে সার্বভৌমত্বের ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মনে করেন ওবায়দুল কাদের। বিরোধী শক্তি নির্বাচন বানচালের সব ধরনের পন্থা অবলম্বন করেও ব্যর্থ হয়েছে। অগণতান্ত্রিক পন্থায় অনির্বাচিত কাউকে ক্ষমতায় বসানোর অপতৎপরতা এখনও আছে।

বিএনপি অংশ নিলে নির্বাচন আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতো। তবে তাদের অনুপস্থিতিতে নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয়েছে। সব দল অংশ নিলেও ৪০ শতাংশ ভোটার কাস্ট ইউরোপেও দেখা যায় না। এ নির্বাচন দেশের ইতিহাসে গণতন্ত্রের অভিযাত্রার মাইলফলক। দেশে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা অব্যহত আছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বক্তব্যের বিরোধিতা করবে না আওয়ামী লীগ। তবে দায়িত্বশীলদের দায়িত্ব নিয়ে কথা বলা উচিত।

আসু

এই সম্পর্কিত অন্যান্য খবর