দেশে এখন

ভরা মৌসুমেও গজনী অবকাশ কেন্দ্রে পর্যটক নেই

লোকসানের শঙ্কায় ব্যবসায়ীরা

ভরা মৌসুমেও শেরপুরের অন্যতম পর্যটন স্থান গজনী অবকাশ কেন্দ্রে কাঙ্ক্ষিত পর্যটক নেই। এদিকে পর্যটক না থাকায় অনেকটা বেচাবিক্রি কমেছে। ফলে দুই কোটি টাকা লোকসানের শঙ্কায় রয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

নৈসর্গিক সৌন্দর্যের অপরুপ লীলাভূমির জেলা শেরপুর। ভারত সীমান্তবর্তী এই জেলার পাহাড়ের বুক চিরে অবস্থান গজনী অবকাশের। এখানে রয়েছে পাহাড়ী ছোট ছোট ঝর্ণা, সারি সারি শাল, গজারি, সেগুনগাছ, লতা-পাতার বিন্যাস, যা প্রকৃতি ও পর্যটনপ্রেমীদের আকৃষ্ট করে। ফলে প্রতি বছরের শুরুতে হাজারো পর্যটকের পদভারে মুখর থাকে গজনী অবকাশ।

তবে এবার অবকাশ কেন্দ্রে হাতগোনা পর্যটক এসেছে। এক পর্যটক বলেন, ‘প্রথমবার এখানে এসে খুব ভালো লাগছে। তবে পর্যটক কম দেখছি।’

আরেক পর্যটক বলেন, 'পর্যটকদের জন্য এখানে থাকার ব্যবস্থা থাকলে বেশি ভালো লাগতো।'

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শীতের শুরুতে শুধুমাত্র জানুয়ারি মাসেই ৫০ হাজারের বেশি পর্যটক গজনী অবকাশে ভ্রমণ করতে আসেন। তবে এ বছর মৌসুমের শুরুতে কাঙ্ক্ষিত পর্যটক না থাকায় ব্যবসা-বাণিজ্যে ভাটা পড়েছে।

গজনী অবকাশ কেন্দ্রের ইজারাদার ফরিদ আহম্মেদ বলেন, ‘তীব্র শীতের কারণে এবার পর্যটক কম আসছে। এ কারণে আমরা ব্যবসাও করতে পারছি না।’

শেরপুরের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল খায়রুম বলেন, ‘গজনীতে নতুন নতুন অনেক রাইড সংযুক্ত হয়েছে। এছাড়া পর্যটকদের সুবিধার জন্য আরো কিছু সংযোজনের জন্য প্রস্তাবনা বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনে পাঠানো হয়েছে।’

এই সম্পর্কিত অন্যান্য খবর